রাজধানীর ধানমন্ডিতে ফুটপাতে এক ব্যক্তিকে মারধর এবং কান ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় খালিদ হাসান নামের এক যুবককে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই রায় প্রদান করেন। আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করার পর তাকে সরাসরি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত সোমবার ধানমন্ডির সাতমসজিদ সড়কে বাংলাদেশ আই হসপিটালের সামনের ফুটপাতে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানাকে লাথি ও থাপ্পড় মারেন খালিদ। মূলত এক তরুণীকে উত্ত্যক্ত বা ‘ব্যাড টাচ’ করার অভিযোগে ওই তরুণী ফোন করে তার মামা খালিদকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনেন। এরপর খালিদ ক্ষিপ্ত হয়ে প্রকাশ্য ফুটপাতে মাসুদ রানাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।
এই ঘটনার প্রায় দুই মিনিট বারো সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, খালিদ যখন মারধর করছিলেন, তখন পাশেই পুলিশের দুই সদস্য দাঁড়িয়ে থাকলেও তাঁরা কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেননি। পরে পুলিশ শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাসুদ রানাকেও আটক করে এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠায়।
এদিকে দায়িত্ব পালনকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করায় এবং আইন প্রয়োগে অবহেলা করায় ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনার পর পরই বুধবার দুপুরে ধানমন্ডির মীনাবাজার এলাকা থেকে প্রধান অভিযুক্ত খালিদ হাসানকে আটক করে পুলিশ আইনের আওতায় আনা হয়।


























