Dhaka ১০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম সিজেপির

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

ভারতের রাজধানী দিল্লির ঐতিহ্যবাহী যন্তর মন্তরে রাজনৈতিক বিক্ষোভ আয়োজনের জন্য নতুন তারিখ নির্দিষ্ট করে দিতে দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বা আলটিমেটাম বেঁধে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট সাড়া বা সিদ্ধান্ত পাওয়া না গেলে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির সহ-সমন্বয়ক আশুতোষ রানকা। প্রভাবশালী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আজ সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) সিজেপির আরেক সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দাসকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান আশুতোষ রানকা। সেখানে তারা দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণের জোর দাবি জানান। থানায় উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রানকা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘যন্তর মন্তর সর্বসাধারণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান। সেখানে আমরা ঠিক কবে নাগাদ আমাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে পারব, সেই সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময় জানতেই আজ এখানে এসেছি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা সাধারণ মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা কোথায় গিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করব? আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লি পুলিশকে স্পষ্ট করতে হবে যে আমরা কীভাবে আন্দোলন পরিচালনা করতে পারি। অন্যথায় আমরা আমাদের পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচির রূপরেখা দ্রুত ঘোষণা করব।’

এর আগে গত ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে সিজেপির পূর্বঘোষিত প্রতিবাদ বিক্ষোভের ওপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছিল দিল্লি পুলিশ। সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয় যে, আয়োজকদের পক্ষ থেকে অতি স্বল্প সময়ের নোটিশে আবেদনের চিঠি জমা দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া এর আগের একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিধিমালা লঙ্ঘনের নজির এবং সার্বিক জননিরাপত্তা, শহরের যান চলাচল ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাজনিত গুরুতর উদ্বেগের কথা বিবেচনা করেই তাদের সেই অনুমতি বাতিল করা হয়।

দিল্লি পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সিজেপির পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত ওই বিক্ষোভের আবেদনের কথা পুলিশকে জানানো হয়েছিল গত ৭ অক্টোবর। অর্থাৎ কর্মসূচি পালনের মাত্র তিন দিন আগে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দেওয়া হয়, অথচ আইনগত নিয়ম অনুযায়ী বিক্ষোভ বা সমাবেশের অনুমতির জন্য কমপক্ষে ১০ দিন আগে থানায় লিখিত আবেদন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনে (এসআইআর) কথিত ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদে এবং ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিল সিজেপি। এছাড়া পূর্বে যন্তর মন্তরে আয়োজিত সিজেপির একাধিক কর্মসূচির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, পূর্ববর্তী একটি বিক্ষোভে তারা নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পরও রাজপথে অবস্থান ধরে রেখেছিল, যা শেষ পর্যন্ত স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটিয়েছিল।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম সিজেপির

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের রাজধানী দিল্লির ঐতিহ্যবাহী যন্তর মন্তরে রাজনৈতিক বিক্ষোভ আয়োজনের জন্য নতুন তারিখ নির্দিষ্ট করে দিতে দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বা আলটিমেটাম বেঁধে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট সাড়া বা সিদ্ধান্ত পাওয়া না গেলে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির সহ-সমন্বয়ক আশুতোষ রানকা। প্রভাবশালী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আজ সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) সিজেপির আরেক সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দাসকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান আশুতোষ রানকা। সেখানে তারা দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণের জোর দাবি জানান। থানায় উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রানকা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘যন্তর মন্তর সর্বসাধারণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান। সেখানে আমরা ঠিক কবে নাগাদ আমাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে পারব, সেই সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময় জানতেই আজ এখানে এসেছি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা সাধারণ মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা কোথায় গিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করব? আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লি পুলিশকে স্পষ্ট করতে হবে যে আমরা কীভাবে আন্দোলন পরিচালনা করতে পারি। অন্যথায় আমরা আমাদের পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচির রূপরেখা দ্রুত ঘোষণা করব।’

এর আগে গত ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে সিজেপির পূর্বঘোষিত প্রতিবাদ বিক্ষোভের ওপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছিল দিল্লি পুলিশ। সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয় যে, আয়োজকদের পক্ষ থেকে অতি স্বল্প সময়ের নোটিশে আবেদনের চিঠি জমা দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া এর আগের একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিধিমালা লঙ্ঘনের নজির এবং সার্বিক জননিরাপত্তা, শহরের যান চলাচল ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাজনিত গুরুতর উদ্বেগের কথা বিবেচনা করেই তাদের সেই অনুমতি বাতিল করা হয়।

দিল্লি পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সিজেপির পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত ওই বিক্ষোভের আবেদনের কথা পুলিশকে জানানো হয়েছিল গত ৭ অক্টোবর। অর্থাৎ কর্মসূচি পালনের মাত্র তিন দিন আগে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দেওয়া হয়, অথচ আইনগত নিয়ম অনুযায়ী বিক্ষোভ বা সমাবেশের অনুমতির জন্য কমপক্ষে ১০ দিন আগে থানায় লিখিত আবেদন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনে (এসআইআর) কথিত ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদে এবং ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিল সিজেপি। এছাড়া পূর্বে যন্তর মন্তরে আয়োজিত সিজেপির একাধিক কর্মসূচির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, পূর্ববর্তী একটি বিক্ষোভে তারা নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পরও রাজপথে অবস্থান ধরে রেখেছিল, যা শেষ পর্যন্ত স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটিয়েছিল।