মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে আরও কার্যকর, মানবিক ও সার্বজনীন করতে আইনি কাঠামোর পাশাপাশি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা। তাঁরা বলেছেন, সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।
রোববার বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। ‘ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (সিএসডব্লিউএবি) এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, সামাজিক সমস্যা নিরসনে কেবল আইন যথেষ্ট নয়; দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার দরকার। সমাজসেবা কর্মকর্তা নিয়োগে বিষয়ভিত্তিক ডিগ্রিধারীদের যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিতে বায়ো-সাইকো-সোশ্যাল মডেল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীও সেমিনারে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। সিএসডব্লিউএবির সভাপতি অধ্যাপক তাহমিনা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য খাতের গবেষক, শিক্ষক ও পদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন।


























