Dhaka ০৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

যমুনার তীব্র ভাঙনে গাইবান্ধার বিস্তীর্ণ জনপদ বিলীন, বাস্তুহারা হাজারো পরিবার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

নদীভাঙনের কারণে দেশের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা হিসেবে গাইবান্ধার এক উদ্বেগজনক চিত্র আন্তর্জাতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। জেলার সদর, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র ভাঙনের মুখে অসংখ্য মানুষ ভিটেমাটি হারাচ্ছেন।

সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মার ভাঙনে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৫৩ হেক্টর জমি বিলীন হয়েছে। জেগে ওঠা নতুন চরের হিসাব বাদ দিলে নিট ভূমি ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৩ বর্গকিলোমিটার, যার প্রায় ৬০ শতাংশই গ্রাস করেছে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র। চলতি ২০২৬ সালে দেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে গাইবান্ধাতেই সর্বোচ্চ প্রায় ২২৩ হেক্টর জমি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতিমধ্যে বসতবাড়ি ও ফসলি জমির পাশাপাশি বহু প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে চলে গেছে।

আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘ন্যাচারাল হ্যাজার্ডস’-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলারই ৫০ দশমিক ৮৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে। বারবার ভাঙনের শিকার হয়ে হাজারো পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের বস্তিতে পাড়ি জমাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তনের পাশাপাশি অতিবৃষ্টি, উজানের অস্বাভাবিক ঢল, অপরিকল্পিত মানবসৃষ্ট হস্তক্ষেপ ও বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দারা এবং উন্নয়ন গবেষকরা জরুরি জিওব্যাগ ডাম্পিং বা সাময়িক ত্রাণের বদলে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা ও টেকসই পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যমুনার তীব্র ভাঙনে গাইবান্ধার বিস্তীর্ণ জনপদ বিলীন, বাস্তুহারা হাজারো পরিবার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

নদীভাঙনের কারণে দেশের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা হিসেবে গাইবান্ধার এক উদ্বেগজনক চিত্র আন্তর্জাতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। জেলার সদর, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র ভাঙনের মুখে অসংখ্য মানুষ ভিটেমাটি হারাচ্ছেন।

সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মার ভাঙনে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৫৩ হেক্টর জমি বিলীন হয়েছে। জেগে ওঠা নতুন চরের হিসাব বাদ দিলে নিট ভূমি ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৩ বর্গকিলোমিটার, যার প্রায় ৬০ শতাংশই গ্রাস করেছে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র। চলতি ২০২৬ সালে দেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে গাইবান্ধাতেই সর্বোচ্চ প্রায় ২২৩ হেক্টর জমি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতিমধ্যে বসতবাড়ি ও ফসলি জমির পাশাপাশি বহু প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে চলে গেছে।

আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘ন্যাচারাল হ্যাজার্ডস’-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলারই ৫০ দশমিক ৮৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে। বারবার ভাঙনের শিকার হয়ে হাজারো পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের বস্তিতে পাড়ি জমাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তনের পাশাপাশি অতিবৃষ্টি, উজানের অস্বাভাবিক ঢল, অপরিকল্পিত মানবসৃষ্ট হস্তক্ষেপ ও বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দারা এবং উন্নয়ন গবেষকরা জরুরি জিওব্যাগ ডাম্পিং বা সাময়িক ত্রাণের বদলে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা ও টেকসই পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।