সম্ভাব্য হামলার হুমকির মুখে ব্রিটেনের একটি বিমানঘাঁটি থেকে ১২টি বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই হুমকির সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিষয়টিকে বড় কোনো বিষয় হিসেবে দেখতে নারাজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এটিকে স্বাভাবিক সামরিক পুনর্বিন্যাস বলে উল্লেখ করেছেন। তবে বিগত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক শক্তির মোতায়েন পর্যবেক্ষণকারীদের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক সামরিক শক্তি গুটিয়ে নেওয়ার আরেকটি বাস্তব উদাহরণ।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসনকে মধ্যপ্রাচ্য ও ব্রিটেনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে সামরিক শক্তি সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। এই সংঘাত মার্কিন সামরিক ব্যবস্থার এমন কিছু দুর্বলতা সামনে নিয়ে এসেছে, যা পূর্বে ধারণার বাইরে ছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে হামলাকে শক্তির বড় প্রদর্শন হিসেবে তুলে ধরতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত এটি মার্কিন সামরিক সক্ষমতার বাস্তব সীমানাই উন্মোচন করেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করতে হয়েছে এবং ব্রিটিশ ঘাঁটির ব্যবহারও সীমিত করা হয়েছে।
বর্তমানে মার্কিন বোমারু বিমানগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পূর্ণ সক্ষমতা থাকলেও দূরপাল্লার যাতায়াতের কারণে সময় ও অর্থ উভয়ই বেশি ব্যয় হচ্ছে। নৌবহরগুলোকে দূরবর্তী দ্বীপ থেকে রসদ সংগ্রহ করতে হচ্ছে, যা কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি করছে। সামগ্রিক এই পরিস্থিতি বিশ্বমঞ্চে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির কৌশলগত পুনর্বিন্যাসকে স্পষ্ট করে তুলেছে।























