Dhaka ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ে ইসরাইলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার শঙ্কা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

নোবেল কমিটির নাভি পিল্লাইকে শান্তি পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত ইসরাইলে তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ এই সংস্থাটি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যার শামিল বলে যে ধারণা প্রচলিত আছে, তার প্রতি নিজেদের সমর্থন আরও জোরালো করল বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, পিল্লাই জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশনের সভাপতিত্ব করেছিলেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ঐ কমিশন এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, ইসরাইলের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বক্তব্য এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকাণ্ড থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, গণহত্যার মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গাজায় ফিলিস্তিনিদের নিশ্চিহ্ন করার অভিপ্রায় তাদের রয়েছে।

কমিশনের প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ ইসরাইলের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গণহত্যায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়। ইসরাইল বরাবরই এই অভিযোগ জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং দাবি করছে যে তাদের যুদ্ধ পরিচালনার কর্মকাণ্ড মোটেই গণহত্যা নয়। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশের কাছে এই বিতর্কে ইসরাইল নিজের অবস্থানের পক্ষে সমর্থন হারাচ্ছে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সরকারগুলো ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকলেও একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সম্প্রতি অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের আচরণের কারণে দেশটির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। গত মাসে দলের সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি এই দেশের এবং প্রকৃতপক্ষে বিশ্বের অন্যত্র বসবাসকারী সেই লাখ লাখ মানুষকে বলতে চাই—ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা যাদের বিচলিত ও ক্ষুব্ধ করেছে, আমরা আপনাদের কথা শুনছি এবং আপনারাই সঠিক ছিলেন।’

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ে ইসরাইলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার শঙ্কা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

নোবেল কমিটির নাভি পিল্লাইকে শান্তি পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত ইসরাইলে তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ এই সংস্থাটি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যার শামিল বলে যে ধারণা প্রচলিত আছে, তার প্রতি নিজেদের সমর্থন আরও জোরালো করল বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, পিল্লাই জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশনের সভাপতিত্ব করেছিলেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ঐ কমিশন এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, ইসরাইলের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বক্তব্য এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকাণ্ড থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, গণহত্যার মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গাজায় ফিলিস্তিনিদের নিশ্চিহ্ন করার অভিপ্রায় তাদের রয়েছে।

কমিশনের প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ ইসরাইলের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গণহত্যায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়। ইসরাইল বরাবরই এই অভিযোগ জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং দাবি করছে যে তাদের যুদ্ধ পরিচালনার কর্মকাণ্ড মোটেই গণহত্যা নয়। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশের কাছে এই বিতর্কে ইসরাইল নিজের অবস্থানের পক্ষে সমর্থন হারাচ্ছে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সরকারগুলো ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকলেও একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সম্প্রতি অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের আচরণের কারণে দেশটির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। গত মাসে দলের সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি এই দেশের এবং প্রকৃতপক্ষে বিশ্বের অন্যত্র বসবাসকারী সেই লাখ লাখ মানুষকে বলতে চাই—ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা যাদের বিচলিত ও ক্ষুব্ধ করেছে, আমরা আপনাদের কথা শুনছি এবং আপনারাই সঠিক ছিলেন।’