মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট তৈরি, অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে। হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বাতিল করে রোববার (৪ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে শ্রমবাজারে অনিয়ম ও কর্মী হয়রানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত ১৯ জুলাই সরকার ওই ৪৯টি এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছিল। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এজেন্সি মালিকেরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে আদালত সরকারের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষ এই স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন জানালে শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশটি বাতিল করা হয়। এর ফলে সরকারের নেওয়া লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তটিই চূড়ান্তভাবে বহাল রইল।
আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, নির্ধারিত কাজের বাইরে অন্য কাজ দেওয়া, অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া কিংবা অবৈধ উপায়ে বিদেশে কর্মী পাঠানোর মতো মানবপাচার ও প্রতারণামূলক কাজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ এখতিয়ার সরকারের রয়েছে। এই আদেশের মাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সির অনিয়ম রোধে সরকারের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই প্রতিষ্ঠিত হলো।


























