Dhaka ১১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটার দায়ে কঙ্গোয় ২৭ সেনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটার অভিযোগে দেশটির একটি সামরিক আদালত ২৭ সেনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, ‘কাপুরুষতা’র অভিযোগে এসব সেনাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ ছিল, তারা এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় সম্মুখসারির অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

দক্ষিণ কিভু প্রদেশের উভিরায় সামরিক আদালতে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২১তম সিম্বা ব্যাটালিয়নের অন্তত ১১২ সেনার বিচার শুরু হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে, আগস্টে পূর্ব কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ অমান্য করে তারা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরে গিয়েছিলেন।

আদালত জানায়, ৫৪ সেনাকে নির্দেশ অমান্য করার দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরও ১০ জনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় অন্তত ২১ সেনাকে খালাস দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজন নারী। রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, উভিরাকে ঘিরে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিরাপত্তায় এসব সেনাকে মোতায়েন করা হয়েছিল।

এর আগে গত মে মাসে একই ধরনের ঘটনায় ৫৮ কঙ্গোলিজ সেনাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল একটি সামরিক আদালত। তারাও এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় সম্মুখসারি থেকে সরে যাওয়ায় ‘নির্দেশ অমান্যের’ দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, সর্বশেষ বিচার চলাকালেও উভিরা এলাকায় এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল। উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। পূর্ব কঙ্গোর দীর্ঘদিনের সংঘাতের অন্যতম প্রধান পক্ষ এম২৩ বিদ্রোহীরা। ২০২৫ সালের শুরুর দিকে তারা প্রাদেশিক রাজধানী গোমা ও বুকাভুসহ পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়। কঙ্গো সরকার, জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলো এম২৩-কে প্রতিবেশী রুয়ান্ডা সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে। তবে রুয়ান্ডা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটার দায়ে কঙ্গোয় ২৭ সেনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটার অভিযোগে দেশটির একটি সামরিক আদালত ২৭ সেনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, ‘কাপুরুষতা’র অভিযোগে এসব সেনাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ ছিল, তারা এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় সম্মুখসারির অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

দক্ষিণ কিভু প্রদেশের উভিরায় সামরিক আদালতে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২১তম সিম্বা ব্যাটালিয়নের অন্তত ১১২ সেনার বিচার শুরু হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে, আগস্টে পূর্ব কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ অমান্য করে তারা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরে গিয়েছিলেন।

আদালত জানায়, ৫৪ সেনাকে নির্দেশ অমান্য করার দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরও ১০ জনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় অন্তত ২১ সেনাকে খালাস দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজন নারী। রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, উভিরাকে ঘিরে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিরাপত্তায় এসব সেনাকে মোতায়েন করা হয়েছিল।

এর আগে গত মে মাসে একই ধরনের ঘটনায় ৫৮ কঙ্গোলিজ সেনাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল একটি সামরিক আদালত। তারাও এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় সম্মুখসারি থেকে সরে যাওয়ায় ‘নির্দেশ অমান্যের’ দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, সর্বশেষ বিচার চলাকালেও উভিরা এলাকায় এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল। উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। পূর্ব কঙ্গোর দীর্ঘদিনের সংঘাতের অন্যতম প্রধান পক্ষ এম২৩ বিদ্রোহীরা। ২০২৫ সালের শুরুর দিকে তারা প্রাদেশিক রাজধানী গোমা ও বুকাভুসহ পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়। কঙ্গো সরকার, জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলো এম২৩-কে প্রতিবেশী রুয়ান্ডা সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে। তবে রুয়ান্ডা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।