Dhaka ০৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

শার্শায় ৯৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার: দম্পতিকে যাবজ্জীবন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে

যশোরে একটি আলোচিত মাদক মামলায় স্বামী ও স্ত্রীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং আর্থিক জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) যশোরের বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এস এম নূরুল ইসলাম বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এ সাজা ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন শার্শা উপজেলার বাসিন্দা বাবু মিয়া এবং তাঁর স্ত্রী রেখা খাতুন।


​মামলার বিবরণ ও অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে শার্শা উপজেলার পাকশিয়া অঞ্চলে টহলরত অবস্থায় ছিলেন বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) একটি দল। সে সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে যে, পাকশিয়া শিমুলতলা গ্রামের বাসিন্দা বাবু মিয়ার বসতবাড়িতে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল মজুত করে রাখা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা তল্লাশি চালাতে ওই বাড়ির নিকট পৌঁছালে তা টের পেয়ে বাবু মিয়া ও তাঁর স্ত্রী রেখা খাতুন বসতঘরের পেছনের দিক দিয়ে পালিয়ে যান।


​পরবর্তীতে স্থানীয় অধিবাসীদের সাক্ষী রেখে বিজিবি সদস্যরা বাড়িটির ভেতরে অভিযান চালান। তল্লাশির একপর্যায়ে উঠানে থাকা রান্নার চুলার ভেতর থেকে একটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাটি খুলে তার ভেতর থেকে মোট ৯৬ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করেন বিজিবি সদস্যরা। উক্ত ঘটনার পর বিজিবির সুবেদার মো. আব্দুস সালাম বাদী হয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করেন। মামলার আইনি তদন্ত সম্পন্ন করে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) পেশ করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
​

আদালতে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ প্রমাণিত হয়। এর ভিত্তিতে বিচারক দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ প্রদান করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাঁদের অতিরিক্ত আরও ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সাজাপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রী উভয়েই বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শার্শায় ৯৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার: দম্পতিকে যাবজ্জীবন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে একটি আলোচিত মাদক মামলায় স্বামী ও স্ত্রীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং আর্থিক জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) যশোরের বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এস এম নূরুল ইসলাম বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এ সাজা ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন শার্শা উপজেলার বাসিন্দা বাবু মিয়া এবং তাঁর স্ত্রী রেখা খাতুন।


​মামলার বিবরণ ও অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে শার্শা উপজেলার পাকশিয়া অঞ্চলে টহলরত অবস্থায় ছিলেন বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) একটি দল। সে সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে যে, পাকশিয়া শিমুলতলা গ্রামের বাসিন্দা বাবু মিয়ার বসতবাড়িতে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল মজুত করে রাখা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা তল্লাশি চালাতে ওই বাড়ির নিকট পৌঁছালে তা টের পেয়ে বাবু মিয়া ও তাঁর স্ত্রী রেখা খাতুন বসতঘরের পেছনের দিক দিয়ে পালিয়ে যান।


​পরবর্তীতে স্থানীয় অধিবাসীদের সাক্ষী রেখে বিজিবি সদস্যরা বাড়িটির ভেতরে অভিযান চালান। তল্লাশির একপর্যায়ে উঠানে থাকা রান্নার চুলার ভেতর থেকে একটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাটি খুলে তার ভেতর থেকে মোট ৯৬ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করেন বিজিবি সদস্যরা। উক্ত ঘটনার পর বিজিবির সুবেদার মো. আব্দুস সালাম বাদী হয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করেন। মামলার আইনি তদন্ত সম্পন্ন করে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) পেশ করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
​

আদালতে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ প্রমাণিত হয়। এর ভিত্তিতে বিচারক দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ প্রদান করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাঁদের অতিরিক্ত আরও ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সাজাপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রী উভয়েই বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।