Dhaka ১১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

গত পাঁচ বছরে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩১:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যেও গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও অস্ত্র রপ্তানি প্রায় ১৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালে দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৮৩০ কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালে বেড়ে ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। এই অস্ত্র আমদানিতে সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। ‘ডিফেন্স ডিভিডেন্ডস অব দ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা খাতের উল্লেখযোগ্য এই প্রবৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা যুদ্ধ ছাড়াও হিজবুল্লাহ, হুথি ও ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার পর ইসরাইলের প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ও কার্যক্রম বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলশ্রুতিতে বিশ্ববাজারে তাদের অস্ত্রের চাহিদাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কো ইসরাইলি অস্ত্রের অন্যতম প্রধান ক্রেতা হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০২২ সালে ইসরাইলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস আমিরাতের কাছে মাঝারি পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহ করে। পাশাপাশি এলবিট সিস্টেমস ও ইসরাইল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দেশটিতে বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তি রপ্তানি করেছে। কেবল অস্ত্র কেনাবেচায় নয়, বরং আমিরাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইসরাইলের একাধিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের বিনিয়োগ করেছে, যার ফলে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

গত পাঁচ বছরে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩১:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যেও গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও অস্ত্র রপ্তানি প্রায় ১৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালে দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৮৩০ কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালে বেড়ে ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। এই অস্ত্র আমদানিতে সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। ‘ডিফেন্স ডিভিডেন্ডস অব দ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা খাতের উল্লেখযোগ্য এই প্রবৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা যুদ্ধ ছাড়াও হিজবুল্লাহ, হুথি ও ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার পর ইসরাইলের প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ও কার্যক্রম বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলশ্রুতিতে বিশ্ববাজারে তাদের অস্ত্রের চাহিদাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কো ইসরাইলি অস্ত্রের অন্যতম প্রধান ক্রেতা হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০২২ সালে ইসরাইলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস আমিরাতের কাছে মাঝারি পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহ করে। পাশাপাশি এলবিট সিস্টেমস ও ইসরাইল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দেশটিতে বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তি রপ্তানি করেছে। কেবল অস্ত্র কেনাবেচায় নয়, বরং আমিরাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইসরাইলের একাধিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের বিনিয়োগ করেছে, যার ফলে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।