Dhaka ১১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের কারণে দুই লাখেরও বেশি মানুষের বাস্তুচ্যুতি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৭:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

ইয়েমেনে অব্যাহত রাজনৈতিক সংঘাত ও সশস্ত্র সংঘর্ষের ভয়াবহ পরিণতিতে দেশটির দুই লাখের বেশি সাধারণ নাগরিক নিজেদের বসতভিটা হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছেন। মূলত পশ্চিম উপকূলীয় বিভিন্ন জেলা ও সহিংসতাকবলিত জনপদ থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা এসব অসহায় মানুষ বর্তমানে তায়েজ এবং এডেন গভর্নরেটের মধ্যবর্তী অঞ্চলের বিভিন্ন অস্থায়ী শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আশ্রয়শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সংখ্যা ইতিমধ্যে দুই লাখের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে। তবে বিপুল সংখ্যক এই জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যূনতম আবাসন ব্যবস্থা বা জীবনরক্ষাকারী মৌলিক সামগ্রীর তীব্র ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে এখানকার তাঁবুগুলো বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হওয়ায় শিশু ও বয়স্ক মানুষসহ দুর্গতরা তীব্র শীত, গরম ও প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে কষ্টকর জীবন যাপন করছেন।

চরম খাদ্য সংকটের কারণে এই মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। পশ্চিম উপকূল থেকে পালিয়ে আসা বহু শিশু দীর্ঘ ২০ দিনেরও বেশি সময় ধরে এসব শিবিরে অবস্থান করছে এবং পর্যাপ্ত খাদ্যের সংস্থান না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে আশপাশের উপত্যকা থেকে বিভিন্ন বন্য উদ্ভিদ ও শস্য সংগ্রহ করে তা আগুনে পুড়িয়ে বা রান্না করে ক্ষুধা নিবারণ করছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে আসার পরও তাদের আতঙ্ক কাটেনি। শিবিরগুলোর কাছাকাছি পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নিয়মিত গোলাগুলি ও সশস্ত্র সংঘর্ষের আওয়াজ ভেসে আসায় বাস্তুচ্যুত মানুষেরা সবসময় এক গভীর নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এছাড়া সংঘাতের তীব্রতা ও পরিধি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে অনেক পরিবারকে জীবনে একবার নয়, বরং দুই, তিন বা চার দফায় বারবার নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে জীবন বাঁচাতে হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের কারণে দুই লাখেরও বেশি মানুষের বাস্তুচ্যুতি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৭:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনে অব্যাহত রাজনৈতিক সংঘাত ও সশস্ত্র সংঘর্ষের ভয়াবহ পরিণতিতে দেশটির দুই লাখের বেশি সাধারণ নাগরিক নিজেদের বসতভিটা হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছেন। মূলত পশ্চিম উপকূলীয় বিভিন্ন জেলা ও সহিংসতাকবলিত জনপদ থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা এসব অসহায় মানুষ বর্তমানে তায়েজ এবং এডেন গভর্নরেটের মধ্যবর্তী অঞ্চলের বিভিন্ন অস্থায়ী শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আশ্রয়শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সংখ্যা ইতিমধ্যে দুই লাখের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে। তবে বিপুল সংখ্যক এই জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যূনতম আবাসন ব্যবস্থা বা জীবনরক্ষাকারী মৌলিক সামগ্রীর তীব্র ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে এখানকার তাঁবুগুলো বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হওয়ায় শিশু ও বয়স্ক মানুষসহ দুর্গতরা তীব্র শীত, গরম ও প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে কষ্টকর জীবন যাপন করছেন।

চরম খাদ্য সংকটের কারণে এই মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। পশ্চিম উপকূল থেকে পালিয়ে আসা বহু শিশু দীর্ঘ ২০ দিনেরও বেশি সময় ধরে এসব শিবিরে অবস্থান করছে এবং পর্যাপ্ত খাদ্যের সংস্থান না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে আশপাশের উপত্যকা থেকে বিভিন্ন বন্য উদ্ভিদ ও শস্য সংগ্রহ করে তা আগুনে পুড়িয়ে বা রান্না করে ক্ষুধা নিবারণ করছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে আসার পরও তাদের আতঙ্ক কাটেনি। শিবিরগুলোর কাছাকাছি পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নিয়মিত গোলাগুলি ও সশস্ত্র সংঘর্ষের আওয়াজ ভেসে আসায় বাস্তুচ্যুত মানুষেরা সবসময় এক গভীর নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এছাড়া সংঘাতের তীব্রতা ও পরিধি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে অনেক পরিবারকে জীবনে একবার নয়, বরং দুই, তিন বা চার দফায় বারবার নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে জীবন বাঁচাতে হচ্ছে।