Dhaka ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই: ভারতীয় হাইকমিশনার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, পুরো বিষয়টি বর্তমানে একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেই আইনগত প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করেই ভারত সামনের দিকে এগোচ্ছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ভারতীয় হাইকমিশনার দেশের সাম্প্রতিক নানা কূটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে এসব তথ্য জানান। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘বার্তা বাজার’-এর এক প্রতিবেদনে এ কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেওয়ার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী তাকে আনতে বাংলাদেশে আসেনি। তৎকালীন বাংলাদেশে তৈরি হওয়া বিশেষ রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই তাকে বাংলাদেশ থেকেই ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারত পূর্ব থেকে এ ধরনের আকস্মিক কোনো পরিস্থিতির জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিল না এবং ফলে তৎকালীন সময়ে বিকল্প কোনো পরিস্থিতির কথাও ভারতের পক্ষে ভাবা সম্ভব হয়নি।

একটি দায়িত্বশীল প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের অবস্থানের যৌক্তিকতা তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ করা ভারতের একটি কূটনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব ছিল। তিনি মন্তব্য করেন, তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের সেই বিশেষ বিমানটিকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দেওয়া হলে পরিস্থিতি ঠিক কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা বলা সত্যিই অত্যন্ত কঠিন।

এছাড়া শরীফ ওসমান হাদীর নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযুক্তদের ভারতে অবস্থান ও তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী জানান, উক্ত বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে এবং তা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বক্তব্যের শেষাংশে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে যেকোনো উদীয়মান সমস্যা বা জটিলতা দেখা দিলে তা পারস্পরিক গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই: ভারতীয় হাইকমিশনার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, পুরো বিষয়টি বর্তমানে একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেই আইনগত প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করেই ভারত সামনের দিকে এগোচ্ছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ভারতীয় হাইকমিশনার দেশের সাম্প্রতিক নানা কূটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে এসব তথ্য জানান। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘বার্তা বাজার’-এর এক প্রতিবেদনে এ কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেওয়ার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী তাকে আনতে বাংলাদেশে আসেনি। তৎকালীন বাংলাদেশে তৈরি হওয়া বিশেষ রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই তাকে বাংলাদেশ থেকেই ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারত পূর্ব থেকে এ ধরনের আকস্মিক কোনো পরিস্থিতির জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিল না এবং ফলে তৎকালীন সময়ে বিকল্প কোনো পরিস্থিতির কথাও ভারতের পক্ষে ভাবা সম্ভব হয়নি।

একটি দায়িত্বশীল প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের অবস্থানের যৌক্তিকতা তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ করা ভারতের একটি কূটনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব ছিল। তিনি মন্তব্য করেন, তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের সেই বিশেষ বিমানটিকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দেওয়া হলে পরিস্থিতি ঠিক কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা বলা সত্যিই অত্যন্ত কঠিন।

এছাড়া শরীফ ওসমান হাদীর নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযুক্তদের ভারতে অবস্থান ও তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী জানান, উক্ত বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে এবং তা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বক্তব্যের শেষাংশে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে যেকোনো উদীয়মান সমস্যা বা জটিলতা দেখা দিলে তা পারস্পরিক গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব হবে।