৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হলেও সুপারিশপ্রাপ্ত ৬৬৮ জনের মধ্যে ৬১১ জনের নাম আসায় এবং সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বাকি ৫৭ জনের বাদ পড়ার বিষয়টি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রাথমিক বাছাই ও লিখিত পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়া পেরিয়ে যখন একজন প্রার্থী চূড়ান্ত সাফল্যের দোরগোড়ায় পৌঁছান, তখন রাষ্ট্রপক্ষ থেকে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাদের বাদ দেওয়া হতাশাজনক।
এই ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে ৪৪তম ও ৪৮তম বিসিএস এবং প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগেও একইভাবে শত শত মেধাবী প্রার্থী পুলিশ ও গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের অজুহাতে বাদ পড়েছেন। পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জনকারী কিংবা গরিব কৃষকের সন্তান ও চিকিৎসকদের মতো মেধাবীরা কেবল রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার তথাকথিত সন্দেহের কারণে চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা মেধার চরম অবমূল্যায়ন।
রাষ্ট্রের কাজে যুক্ত হওয়ার আগে প্রার্থীর পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া থাকতেই পারে, কিন্তু প্রার্থীর নিজের কোনো অপরাধ না থাকার পরও কেবল পারিবারিক পরিচয়ের কারণে এমন বঞ্চনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই অস্পষ্ট মাপকাঠির অবসান হওয়া জরুরি।






















