Dhaka ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

আজ আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস: দীর্ঘায়ু জীবনের চ্যালেঞ্জ ও বাংলাদেশের ভাবনা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

আজ, ১ অক্টোবর ২০২৬, আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। প্রবীণ দিবস পালনের প্রেক্ষাপট এবং সমাজে ও পরিবারে প্রবীণদের অবস্থা নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে। প্রবীণ কল্যাণে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগগুলোর কার্যকারিতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

আধুনিক বিজ্ঞান ও সামাজিক অগ্রগতির ফলে মানুষের গড় আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা একটি বৈশ্বিক প্রবণতা। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬০ বছর বা তদূর্ধ্ব প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশি, যা পঁচিশ বছর আগে ছিল এক কোটির নিচে। এই জনসংখ্যাগত পরিবর্তন সমাজের কাঠামোগত বিবর্তন ঘটাচ্ছে, কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যায় প্রভাব ফেলছে এবং পরিবার ও সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর আন্তঃসম্পর্কে পরিবর্তন আনছে। আজকের প্রবীণরাই একসময় সমাজের সর্বোচ্চ কর্মক্ষম অংশ ছিলেন এবং তাদের প্রচেষ্টাতেই বর্তমানের বহু অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাই প্রবীণদের যথাযথ স্বীকৃতি এবং তাদের কল্যাণে উপযুক্ত সরকারি নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

সমাজের অগ্রগতি সাধনে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অবদানের স্বীকৃতি এবং তাদের স্বার্থরক্ষার লক্ষ্যে বিগত ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯০ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত ৪৫/১০৬ নম্বর রেজল্যুশনের মাধ্যমে প্রবীণ দিবস আন্তর্জাতিকভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর ১৯৯১ সাল থেকে প্রতি বছর ১ অক্টোবর জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ এই দিবস পালন করে আসছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এই দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করে থাকে। প্রতি বছরই জাতিসংঘ কর্তৃক এই দিবসের জন্য একটি প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘The age of Longevity: Rethinking Systems of longer lives’ – অর্থাৎ, ‘দীর্ঘায়ু জীবনের যুগ: দীর্ঘ জীবনব্যবস্থার পুনর্ভাবনা’।

বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রবীণদের জীবন বাস্তবতা উপলব্ধি ও তার স্বীকৃতি প্রদান করে প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ করা। মানুষের আয়ু বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যে জনমিতিক পরিবর্তন ঘটছে, তাতে পুরোনো ব্যবস্থায় অনেক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আজ আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস: দীর্ঘায়ু জীবনের চ্যালেঞ্জ ও বাংলাদেশের ভাবনা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

আজ, ১ অক্টোবর ২০২৬, আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। প্রবীণ দিবস পালনের প্রেক্ষাপট এবং সমাজে ও পরিবারে প্রবীণদের অবস্থা নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে। প্রবীণ কল্যাণে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগগুলোর কার্যকারিতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

আধুনিক বিজ্ঞান ও সামাজিক অগ্রগতির ফলে মানুষের গড় আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা একটি বৈশ্বিক প্রবণতা। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬০ বছর বা তদূর্ধ্ব প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশি, যা পঁচিশ বছর আগে ছিল এক কোটির নিচে। এই জনসংখ্যাগত পরিবর্তন সমাজের কাঠামোগত বিবর্তন ঘটাচ্ছে, কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যায় প্রভাব ফেলছে এবং পরিবার ও সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর আন্তঃসম্পর্কে পরিবর্তন আনছে। আজকের প্রবীণরাই একসময় সমাজের সর্বোচ্চ কর্মক্ষম অংশ ছিলেন এবং তাদের প্রচেষ্টাতেই বর্তমানের বহু অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাই প্রবীণদের যথাযথ স্বীকৃতি এবং তাদের কল্যাণে উপযুক্ত সরকারি নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

সমাজের অগ্রগতি সাধনে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অবদানের স্বীকৃতি এবং তাদের স্বার্থরক্ষার লক্ষ্যে বিগত ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯০ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত ৪৫/১০৬ নম্বর রেজল্যুশনের মাধ্যমে প্রবীণ দিবস আন্তর্জাতিকভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর ১৯৯১ সাল থেকে প্রতি বছর ১ অক্টোবর জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ এই দিবস পালন করে আসছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এই দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করে থাকে। প্রতি বছরই জাতিসংঘ কর্তৃক এই দিবসের জন্য একটি প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘The age of Longevity: Rethinking Systems of longer lives’ – অর্থাৎ, ‘দীর্ঘায়ু জীবনের যুগ: দীর্ঘ জীবনব্যবস্থার পুনর্ভাবনা’।

বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রবীণদের জীবন বাস্তবতা উপলব্ধি ও তার স্বীকৃতি প্রদান করে প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ করা। মানুষের আয়ু বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যে জনমিতিক পরিবর্তন ঘটছে, তাতে পুরোনো ব্যবস্থায় অনেক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।