হৃদরোগ এখন শুধু বয়স্কদের সমস্যা নয়। পরিবর্তিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, মানসিক চাপ, ধূমপান এবং স্থূলতার কারণে তরুণদের মধ্যেও হৃদরোগের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। আমাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক আয়োজনের অংশ হিসেবে আজ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রতিবছর ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত হয়। হৃদরোগ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা, ঝুঁকির কারণগুলো জানানো এবং হৃদস্বাস্থ্য রক্ষায় সবাইকে উৎসাহিত করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। এবারের বিশ্ব হার্ট দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘Don’t miss a beat’ অর্থাৎ কোনো হৃৎস্পন্দন বা সতর্ক সংকেত যেন উপেক্ষিত না হয়।
চিকিৎসকদের মতে, হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ হলো হৃদযন্ত্রে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিতে চর্বি ও কোলেস্টেরল জমে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়া। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এই ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবও হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
হৃদস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত শাকসবজি ও ফল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত লবণ, ভাজাপোড়া এবং চর্বিযুক্ত খাবার বর্জন করে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়। ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার মাধ্যমে বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।


























