ইরাক থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরাকে এখন আর বিদেশি জোটের কোনো সেনা অবস্থান করছে না। নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই শেষ হয়েছে সেনা সরানোর এই প্রক্রিয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সেনা প্রত্যাহারকে নিজেদের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আজিজি মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একসময় এই অঞ্চল ছাড়লেও ইরান এবং তার প্রতিবেশীরাই এখানে স্থায়ীভাবে থাকবে। এছাড়া ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের উপপ্রধান আমির হায়াত মোঘাদ্দামও মার্কিন সেনা চলে যাওয়াকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এর ফলে ইরাকে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন সময়ে ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িত থাকার অভিযোগ করে এসেছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে হামলার উৎস ইরাকের ভূখণ্ড থেকে হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠলেও বাগদাদ ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।























