চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জেলার ১৭টি থানা এলাকায় একযোগে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ৪৪৫ জনকে আটক করা হয়, যার মধ্যে ৩৫৪ জনই কিশোর।
যাচাই-বাছাই শেষে ২৯৩ জন কিশোরকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে অপরাধের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়ায় ৬১ জনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে আরও ৯১ জনকে আটক করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই অভিযانের পাশাপাশি সাধারণ মহলে একটি প্রশ্ন জোরালোভাবে উঠেছে—যে নেপথ্য নায়করা বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এসব কিশোরদের মাদক, অস্ত্র, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধে ব্যবহার করছে, তাদের বিরুদ্ধে কতটা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?
পুলিশের পূর্ববর্তী জরিপ অনুযায়ী, শুধু চট্টগ্রাম মহানগরীতেই প্রায় ২০০টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে এবং এদের সদস্য সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৪০০। কিশোর অপরাধ দমনে এই ধরনের নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি মদদদাতাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।


























