স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। সাক্ষাত্কালে দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার, প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক চূড়ান্তকরণ এবং ওষুধ ও চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়াও সার্জিক্যাল সরঞ্জাম ও ওষুধ পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়েও উভয়পক্ষ মতবিনিময় করেন।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ পাকিস্তানে ভ্যাকসিন ও ক্যানসারের ওষুধ রপ্তানি আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে তিনি পাকিস্তানি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের আহ্বান জানান। পাকিস্তানি হাইকমিশনার দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতের অঙ্গ প্রতিস্থাপন বিষয়ে সহযোগিতার বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরে জানান যে, পাকিস্তানের গাম্বাট ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (জিআইএমএস) বাংলাদেশি চিকিৎসকদের লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদানে প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
প্রতিষ্ঠানটি কেবল প্রশিক্ষণেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না, বরং বাংলাদেশে পরবর্তী সময়ে লিভার প্রতিস্থাপনের জটিল অস্ত্রোপচারে সহযোগিতা এবং টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রস্তাবও দিয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের হাইকমিশনার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।






















