বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের চুক্তির কারণে দেশের সর্ববৃহৎ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সচিবালয়ে সরকারের কাজের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এই কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ সবেমাত্র পারমাণবিক শক্তির যুগে প্রবেশ করেছে এবং ভবিষ্যতে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন বিকল্প পথ ও নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সফলভাবে পরিচালনার বিষয়টি কেবল জ্বালানি সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণসহ নানা জটিল ও প্রযুক্তিগত বিষয় জড়িত। তাই দেশের সুনির্দিষ্ট প্রয়োজন এবং বাস্তব দিকগুলো বিবেচনা করেই পরবর্তীতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চুক্তি বা সমঝোতা করা হবে।
বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে জাহেদ উর রহমান জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকট ও সমস্যা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিজের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছে। মার্কিন চুক্তির পাশাপাশি রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক তারেক রহমান সরকারের সুষম কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিরই বহিঃপ্রকাশ। দেশের স্বার্থ যেখানেই সংশ্লিষ্ট রয়েছে, সেখানেই চীন, ভারত, রাশিয়া ও তুরস্কসহ বিশ্বের প্রয়োজনীয় সব দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।






















