Dhaka ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

প্রথম দফায় ১৫০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো শুরু করেছে মালয়েশিয়া

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০০:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে মালয়েশিয়া। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) প্রথম দফায় ১ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়। মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, রোহিঙ্গাদের ‘সম্মতি’ সাপেক্ষেই মোট ৫ হাজার শরণার্থীকে নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এদিন উত্তর-পশ্চিম মালয়েশিয়ার লুমুত নৌঘাঁটির নিকটবর্তী মানজুং স্টেডিয়ামে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় বাসযোগে রোহিঙ্গাদের নিয়ে আসা হয় এবং পরবর্তীতে নৌঘাঁটি থেকে জাহাজে করে তাদের মিয়ানমারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার মিয়ানমারের শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী অবস্থান করছেন, যার দুই-তৃতীয়াংশই নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠী। গত জুলাই মাসে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম মিয়ানমারের পক্ষ থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার চুক্তি ও সম্মতির কথা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া ১৯৫১ সালের জাতিসংঘ শরণার্থী কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ নয় এবং তারা আনুষ্ঠানিকভাবে শরণার্থীদের স্বীকৃতিও দেয় না।

সাম্প্রতিক সময়ে কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) কার্যালয়ের বাইরে রোহিঙ্গাদের জমায়েত ও সাময়িক আটকের ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। আন্তর্জাতিক মহলের বিভিন্ন সমালোচনা ও উদ্বেগের মুখে চলতি মাসের শুরুর দিকে মিয়ানমার বিদেশে অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের ‘নিরাপদ ও সম্মানজনক’ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলেও মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গারা নানা সামাজিক ও অনলাইনে অপপ্রচারের মতো বিদ্বেষের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে মানবাধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রথম দফায় ১৫০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো শুরু করেছে মালয়েশিয়া

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০০:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে মালয়েশিয়া। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) প্রথম দফায় ১ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়। মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, রোহিঙ্গাদের ‘সম্মতি’ সাপেক্ষেই মোট ৫ হাজার শরণার্থীকে নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এদিন উত্তর-পশ্চিম মালয়েশিয়ার লুমুত নৌঘাঁটির নিকটবর্তী মানজুং স্টেডিয়ামে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় বাসযোগে রোহিঙ্গাদের নিয়ে আসা হয় এবং পরবর্তীতে নৌঘাঁটি থেকে জাহাজে করে তাদের মিয়ানমারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার মিয়ানমারের শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী অবস্থান করছেন, যার দুই-তৃতীয়াংশই নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠী। গত জুলাই মাসে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম মিয়ানমারের পক্ষ থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার চুক্তি ও সম্মতির কথা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া ১৯৫১ সালের জাতিসংঘ শরণার্থী কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ নয় এবং তারা আনুষ্ঠানিকভাবে শরণার্থীদের স্বীকৃতিও দেয় না।

সাম্প্রতিক সময়ে কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) কার্যালয়ের বাইরে রোহিঙ্গাদের জমায়েত ও সাময়িক আটকের ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। আন্তর্জাতিক মহলের বিভিন্ন সমালোচনা ও উদ্বেগের মুখে চলতি মাসের শুরুর দিকে মিয়ানমার বিদেশে অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের ‘নিরাপদ ও সম্মানজনক’ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলেও মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গারা নানা সামাজিক ও অনলাইনে অপপ্রচারের মতো বিদ্বেষের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে মানবাধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন।