Dhaka ০৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও ও মানববন্ধন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ-এর ইজারাদারদের বিরুদ্ধে নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন নৌ শ্রমিক ও মালিকরা। রোববার দুপুর ১২টায় জামালগঞ্জ উত্তর স্টিলবডি নৌকা শ্রমিক সমবায় সমিতি লিমিটেড ও সাধারণ শ্রমিকদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শ্রমিকরা উপজেলার প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিলও করেন।

কর্মসূচিতে বাংলাদেশ কার্গো ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়নের সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, জামালগঞ্জ উত্তর স্টিলবডি নৌকা শ্রমিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো. কবির আহমদ, নৌকা মালিক আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নৌযান মালিক ও শ্রমিক নেতারা বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জামালগঞ্জে নৌপথে বিআইডব্লিউটিএ-এর দুই ইজারাদার নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি করছেন। তারা বলেন, নৌপথে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চললেও প্রশাসনের কোনো সক্রিয় ভূমিকা নেই, যা চাঁদাবাজদের আরও বেপরোয়া করে তুলেছে।

বক্তারা ইজারাদার জিয়াউর রহমান ও ওয়াহিদ আলীর শক্তির উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের নীরবতার সমালোচনা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্দেশে তারা বলেন, আপনারা কয়েকজন চাঁদাবাজের জন্য হাজার হাজার শ্রমিকের পেটে আঘাত করবেন না। তারা আরও অভিযোগ করেন যে, প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি হলেও ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে পরিবেশের অজুহাত দেখিয়ে ক্রাশার মিলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, আগামী তিন দিনের মধ্যে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে শ্রমিক ও মালিকরা। লালপুর নৌপুলিশ ফাঁড়ির উদ্দেশে বক্তারা বলেন, আপনারা চাঁদাবাজি বন্ধ না করে উল্টো আমাদের হয়রানি করছেন এবং কাগজের অজুহাত দেখিয়ে চাঁদাবাজদের পক্ষ নিয়ে মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও ও মানববন্ধন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ-এর ইজারাদারদের বিরুদ্ধে নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন নৌ শ্রমিক ও মালিকরা। রোববার দুপুর ১২টায় জামালগঞ্জ উত্তর স্টিলবডি নৌকা শ্রমিক সমবায় সমিতি লিমিটেড ও সাধারণ শ্রমিকদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শ্রমিকরা উপজেলার প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিলও করেন।

কর্মসূচিতে বাংলাদেশ কার্গো ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়নের সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, জামালগঞ্জ উত্তর স্টিলবডি নৌকা শ্রমিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো. কবির আহমদ, নৌকা মালিক আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নৌযান মালিক ও শ্রমিক নেতারা বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জামালগঞ্জে নৌপথে বিআইডব্লিউটিএ-এর দুই ইজারাদার নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি করছেন। তারা বলেন, নৌপথে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চললেও প্রশাসনের কোনো সক্রিয় ভূমিকা নেই, যা চাঁদাবাজদের আরও বেপরোয়া করে তুলেছে।

বক্তারা ইজারাদার জিয়াউর রহমান ও ওয়াহিদ আলীর শক্তির উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের নীরবতার সমালোচনা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্দেশে তারা বলেন, আপনারা কয়েকজন চাঁদাবাজের জন্য হাজার হাজার শ্রমিকের পেটে আঘাত করবেন না। তারা আরও অভিযোগ করেন যে, প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি হলেও ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে পরিবেশের অজুহাত দেখিয়ে ক্রাশার মিলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, আগামী তিন দিনের মধ্যে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে শ্রমিক ও মালিকরা। লালপুর নৌপুলিশ ফাঁড়ির উদ্দেশে বক্তারা বলেন, আপনারা চাঁদাবাজি বন্ধ না করে উল্টো আমাদের হয়রানি করছেন এবং কাগজের অজুহাত দেখিয়ে চাঁদাবাজদের পক্ষ নিয়ে মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।