Dhaka ০৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক পরিচয়ে মেধাবীদের বঞ্চিত করা মেনে নেওয়া হবে না: মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৪৮:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের চাকরির পরীক্ষায় চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে থেকে অনেককে নিয়োগপত্র না পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে মেধার পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, সাধারণ নিয়ম হলো, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে এবং অপরাধে জড়ানোর তথ্য থাকলে তাকে নিয়োগের জন্য অনুপযুক্ত বিবেচনা করা যায়। বাস্তবতা হলো, প্রার্থী বা তার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা খোঁজা হয় এবং তা দেখে নিয়োগের বিষয়ে ইতিবাচক/নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়। এই চর্চা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ছিল। মেধার অধিকারকে কেন্দ্র করে সংগঠিত একটি গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত একটি সরকারের সময়েও রাজনৈতিক চিন্তায় মেধাবীদের বঞ্চিত করা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না। সরকারকে বলবো, মেধায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের নিয়োগপত্র দিতেই হবে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সতর্ক করে বলেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে যাচাইয়ের রীতি ব্রিটিশ আমলের। সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন দমন করতে চাকরিপ্রার্থীদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হতো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও এই চর্চা বাদ দেওয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারগুলো সাধারণত গোয়েন্দা সংস্থার যাচাইয়ের মাধ্যমে বিরোধী দল ও মতের অনুসারী, তাদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত করে এবং নিজেদের লোকদের নিয়োগ নিশ্চিত করে। জনপ্রশাসনের দলীয়করণও করা হয় এই যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। বিএনপি সরকারও যদি এই ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে তাহলে আরেকটি আন্দোলন দানা বাঁধতে পারে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক পরিচয়ে মেধাবীদের বঞ্চিত করা মেনে নেওয়া হবে না: মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৪৮:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের চাকরির পরীক্ষায় চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে থেকে অনেককে নিয়োগপত্র না পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে মেধার পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, সাধারণ নিয়ম হলো, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে এবং অপরাধে জড়ানোর তথ্য থাকলে তাকে নিয়োগের জন্য অনুপযুক্ত বিবেচনা করা যায়। বাস্তবতা হলো, প্রার্থী বা তার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা খোঁজা হয় এবং তা দেখে নিয়োগের বিষয়ে ইতিবাচক/নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়। এই চর্চা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ছিল। মেধার অধিকারকে কেন্দ্র করে সংগঠিত একটি গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত একটি সরকারের সময়েও রাজনৈতিক চিন্তায় মেধাবীদের বঞ্চিত করা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না। সরকারকে বলবো, মেধায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের নিয়োগপত্র দিতেই হবে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সতর্ক করে বলেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে যাচাইয়ের রীতি ব্রিটিশ আমলের। সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন দমন করতে চাকরিপ্রার্থীদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হতো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও এই চর্চা বাদ দেওয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারগুলো সাধারণত গোয়েন্দা সংস্থার যাচাইয়ের মাধ্যমে বিরোধী দল ও মতের অনুসারী, তাদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত করে এবং নিজেদের লোকদের নিয়োগ নিশ্চিত করে। জনপ্রশাসনের দলীয়করণও করা হয় এই যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। বিএনপি সরকারও যদি এই ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে তাহলে আরেকটি আন্দোলন দানা বাঁধতে পারে।