মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার বিষয়ে ওয়াশিংটনের কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান না থাকলেও, এই ইস্যুটি বর্তমানে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যকার সম্পর্কে বড় ধরনের বৈরিতার সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি প্রত্যাশা করে যে, উভয় প্রতিবেশী দেশ আলোচনা সাপেক্ষেই এই বিষয়ের একটি যৌক্তিক সমাধান খুঁজে নেবে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত ফরেন প্রেস সেন্টারে আয়োজিত এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ট্রাম্প প্রশাসনের এই কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বিগত সরকারের পতনের পর থেকেই শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। এদিকে, গত নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। মার্কিন ওই কর্মকর্তা জানান, শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ কিংবা তার আইনি পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনের কোনো নিজস্ব মতামত নেই, তবে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সুসম্পর্ককে যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই উৎসাহিত করে থাকে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিরত থাকতে চায়। তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের পাশাপাশি বিএনপির সঙ্গেও তাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার চলমান প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর।























