বিশ্ব সমুদ্র দিবসে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গেজ সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন যথাযথভাবে মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি জানান, নাবিকদের কল্যাণকে সবসময় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইএমও’র ২০২৬-২৭ সালের মূলমন্ত্র হলো ‘নীতি থেকে বাস্তবায়ন: সামুদ্রিক উৎকর্ষের ক্ষমতায়ন’।
অন্যদিকে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমুদ্র পরিবহন নিয়ে মন্তব্য করে আইএমও’র কার্বন নির্গমন কমানোর রূপরেখাকে ‘বৈশ্বিক কার্বন ট্যাক্স’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা জাহাজের ভাড়া ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের মতো বাণিজ্য-নির্ভর দেশের জন্য এসব আন্তর্জাতিক নিয়ম এবং এর প্রভাব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
আইএমও’র তথ্য অনুযায়ী, ১৬৮টি সদস্য রাষ্ট্র নিরীক্ষা ব্যবস্থার আওতায় এলেও অনেক দেশই আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে নিজেদের আইনে রূপ দিতে পারছে না। জাহাজ তদারকি করার মতো প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সক্ষমতার ঘাটতিও রয়েছে। কেবল আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেই চলবে না, বরং মাঠপর্যায়ে তার সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে দক্ষ জনবল ও প্রশিক্ষিত পরিদর্শকের বিকল্প নেই।























