Dhaka ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

চুয়েটে পঞ্চম দিনেও অচলাবস্থা: নতুন উপাচার্যকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড প্রদর্শন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:২০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আন্দোলন পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহাল রাখার দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শনিবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শেষে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে লাল কার্ড প্রদর্শন করেছেন।

শনিবার দুপুর থেকে লাল কার্ড হাতে বিক্ষোভে অংশ নেন শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তাদের পৃথক দুটি সংগঠনের পক্ষ থেকে পূর্ণ কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।

চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান জানান, ‘সায়েম স্যার শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়েছিলেন। অথচ নতুন উপাচার্য আমাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকে ৩০-৩৫ জনের আন্দোলন বলে আখ্যায়িত করেছেন। তার এই বক্তব্য ও অনলাইনে যোগদানকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’

তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আকরাম হোসেন সুজন বলেন, ‘নতুন উপাচার্যের যোগদানের প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। শিক্ষকরা পূর্ণ কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। শিক্ষার্থীরাও কোনোভাবেই অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে মেনে নেবেন না।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার অনলাইনে রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে যোগদানপত্র দেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আন্দোলনে নতুন গতি আসে। শুক্রবার রাত থেকেই শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে চুয়েট শিক্ষক ও কর্মচারী সমিতিও কর্মবিরতি ঘোষণা করে।

এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়েছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। তিনি বলেন, ‘আমি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের একাংশ আমাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত আছে। পরিস্থিতি শান্ত হলে দ্রুত ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে কাজ শুরু করতে চাই।’

উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

চুয়েটে পঞ্চম দিনেও অচলাবস্থা: নতুন উপাচার্যকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড প্রদর্শন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:২০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আন্দোলন পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহাল রাখার দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শনিবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শেষে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে লাল কার্ড প্রদর্শন করেছেন।

শনিবার দুপুর থেকে লাল কার্ড হাতে বিক্ষোভে অংশ নেন শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তাদের পৃথক দুটি সংগঠনের পক্ষ থেকে পূর্ণ কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।

চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান জানান, ‘সায়েম স্যার শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়েছিলেন। অথচ নতুন উপাচার্য আমাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকে ৩০-৩৫ জনের আন্দোলন বলে আখ্যায়িত করেছেন। তার এই বক্তব্য ও অনলাইনে যোগদানকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’

তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আকরাম হোসেন সুজন বলেন, ‘নতুন উপাচার্যের যোগদানের প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। শিক্ষকরা পূর্ণ কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। শিক্ষার্থীরাও কোনোভাবেই অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে মেনে নেবেন না।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার অনলাইনে রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে যোগদানপত্র দেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আন্দোলনে নতুন গতি আসে। শুক্রবার রাত থেকেই শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে চুয়েট শিক্ষক ও কর্মচারী সমিতিও কর্মবিরতি ঘোষণা করে।

এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়েছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। তিনি বলেন, ‘আমি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের একাংশ আমাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত আছে। পরিস্থিতি শান্ত হলে দ্রুত ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে কাজ শুরু করতে চাই।’

উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।