কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তি এবং তাঁর সুচিকিৎসাসহ ন্যায্য শুনানির দাবিতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর নির্ধারিত পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিক্ষোভ ও লংমার্চ প্রতিহত করতে রাজধানী ইসলামাবাদে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তুলেছে দেশটির সরকার। প্রধান সড়কগুলো বন্ধ করা, জনসমাবেশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ এবং বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের কারণে রাজধানীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
পিটিআই নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, পদযাত্রার কৌশল ও চূড়ান্ত সময়সূচি নিয়ে দলের মধ্যে বিশদ আলোচনা চলছে। একাংশ রোববার থেকে ধাপে ধাপে রাজধানীর অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার পক্ষে মত দিলেও অন্যরা কর্মসূচি কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। ২০২৩ সাল থেকে কারাগারে থাকা ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি জানিয়েছেন, তাঁদের মূল নেতার সুচিকিৎসা ও নিরপেক্ষ বিচারিক প্রক্রিয়ার সুযোগ নিশ্চিত না করা হলে তারা কর্মসূচি পালন অব্যাহত রাখবেন।
এদিকে সম্ভাব্য আন্দোলন রুখতে ইসলামাবাদে প্রায় ২২ হাজার পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করেছে প্রশাসন। সড়কগুলোতে ১ হাজারের বেশি শিপিং কনটেইনার বসিয়ে পথ অবরোধ করা হয়েছে এবং বন্ধ রাখা হয়েছে পেশোয়ার-ইসলামাবাদ মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ। পিটিআইয়ের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিক্ষোভ বানচাল করতে ইতোমধ্যে তাদের বেশ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ নেতাসহ ইমরান খানের তিন বোনকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন কঠোর অবস্থানের কারণে ওই অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বড় ধরনের অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।























