কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বাণিয়াপাড়া গ্রামে দুধকুমার নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অব্যাহত এই নদীভাঙনে মুহূর্তেই বিলীন হয়ে যাচ্ছে শত শত বসতভিটা, গাছপালা ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। গত এক বছরে কেবল এই গ্রামেই তিন শতাধিক বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে গেছে এবং গত ১৫ দিনে নতুন করে আরও ৭টি বাড়ি বিলীন হয়েছে। বর্তমানে ভাঙনের মুখে রয়েছে আরও অর্ধশত বসতি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভাঙনকবলিত এলাকায় কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হলেও তা ভাঙন রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। বারবার বাড়িঘর হারিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়া এসব দরিদ্র মানুষ চরম মানবেতর জীবনযাপন করলেও পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, তারা ইতোমধ্যে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং জরুরি প্রতিরক্ষামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া নদীভাঙন স্থায়ীভাবে প্রতিরোধের জন্য একটি ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) বর্তমানে প্রণয়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

























