Dhaka ০৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ইরানকে সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

রাশিয়া ইরানকে উন্নত সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করছে। মস্কোর এই সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান তেহরানকে দেওয়া। একটি গোপন কর্মসূচির আওতায় ২০২৩ সাল থেকে এই সহযোগিতা চলছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যেও অব্যাহত রয়েছে।

এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনপিও মাশিনোস্ত্রোয়েনিয়ার জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞরা ইরানের প্রতিরক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি কাজ করেছেন। তাদের সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র ছিল র‍্যামজেট প্রপালশন বা র‍্যামজেট ইঞ্জিন প্রযুক্তির উন্নয়ন। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে উড়ে সুপারসনিক গতি ধরে রাখতে পারে।

ইরান ইতোমধ্যে র‍্যামজেট প্রপালশন ব্যবস্থা তৈরি করেছে এবং এর উড্ডয়ন পরীক্ষাও চালিয়েছে। এসব পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে রুশ প্রকৌশলীরা ইরানি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা করেছেন। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা, দহন স্থিতিশীলতা, বায়ুপ্রবেশপথ এবং ইঞ্জিনের নজেলসংক্রান্ত বিভিন্ন কারিগরি সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানে তারা পরামর্শ দিয়েছেন।

এই প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সফলভাবে এগোলে ভবিষ্যতে ইরান নিজস্বভাবে উন্নত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন একটি পরিবার উৎপাদন ও আরও আধুনিক করার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। এর ফলে দেশটির নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির পেছনে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মস্কো ও তেহরান ২০ বছরের একটি ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিতে সই করে, যার মাধ্যমে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ইরানকে সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাশিয়া ইরানকে উন্নত সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করছে। মস্কোর এই সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান তেহরানকে দেওয়া। একটি গোপন কর্মসূচির আওতায় ২০২৩ সাল থেকে এই সহযোগিতা চলছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যেও অব্যাহত রয়েছে।

এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনপিও মাশিনোস্ত্রোয়েনিয়ার জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞরা ইরানের প্রতিরক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি কাজ করেছেন। তাদের সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র ছিল র‍্যামজেট প্রপালশন বা র‍্যামজেট ইঞ্জিন প্রযুক্তির উন্নয়ন। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে উড়ে সুপারসনিক গতি ধরে রাখতে পারে।

ইরান ইতোমধ্যে র‍্যামজেট প্রপালশন ব্যবস্থা তৈরি করেছে এবং এর উড্ডয়ন পরীক্ষাও চালিয়েছে। এসব পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে রুশ প্রকৌশলীরা ইরানি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা করেছেন। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা, দহন স্থিতিশীলতা, বায়ুপ্রবেশপথ এবং ইঞ্জিনের নজেলসংক্রান্ত বিভিন্ন কারিগরি সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানে তারা পরামর্শ দিয়েছেন।

এই প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সফলভাবে এগোলে ভবিষ্যতে ইরান নিজস্বভাবে উন্নত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন একটি পরিবার উৎপাদন ও আরও আধুনিক করার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। এর ফলে দেশটির নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির পেছনে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মস্কো ও তেহরান ২০ বছরের একটি ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিতে সই করে, যার মাধ্যমে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।