Dhaka ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৭ বার দেখা হয়েছে

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, সম্পূর্ণ মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতেই হবে এবং এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও বেশি কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করা এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কৌশলগত ও সমন্বিত ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়।

দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকে সাময়িকভাবে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বৈঠকে জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহ বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ দিন ধরে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের উদার ও মানবিক ভূমিকার উচ্চসিত প্রশংসা করেন। বিপরীতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মানবিক সংকটের একটি স্থায়ী ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা জোরদার রাখার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, সম্পূর্ণ মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতেই হবে এবং এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও বেশি কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করা এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কৌশলগত ও সমন্বিত ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়।

দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকে সাময়িকভাবে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বৈঠকে জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহ বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ দিন ধরে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের উদার ও মানবিক ভূমিকার উচ্চসিত প্রশংসা করেন। বিপরীতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মানবিক সংকটের একটি স্থায়ী ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা জোরদার রাখার আহ্বান জানান।