Dhaka ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমে গতিশীলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক গতিপ্রবাহ ত্বরান্বিত করা এবং জনগণের যাতায়াত আরও সুগম করতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অপরিহার্য ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সংস্থাটির কার্যক্রমে অধিকতর গতিশীলতা আনায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোরালো গুরুত্ব আরোপ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি। তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বলেন যে, বর্তমান যুগের ক্রমপরিবর্তনশীল চাহিدার কথা মাথায় রেখে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, সৃজনশীল উদ্যোগ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের কর্মক্ষমতা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলতে হবে।

গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানী ঢাকার সেতু ভবন চত্বরে আয়োজিত একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং নবনির্মিত একটি আধুনিক অডিটোরিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করে তিনি এসব সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি। এছাড়া পুরো অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন সেতু বিভাগের সম্মানিত সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞ নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, যেকোনো অবকাঠামোগত উন্নয়ন কেবল ইট-পাথরের নির্মাণকাজের গণ্ডির মধ্যে সীমিত রাখা যাবে না; বরং এর সঠিক ও দক্ষ পরিচালনা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিও এর সঙ্গে অত্যন্ত গভীরভাবে জড়িত। তাই যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সমান্তরালে সর্বতোভাবে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য উন্নত ভৌত অবকাঠামোর পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়ের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের কার্যকর পদক্ষেপসমূহ প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ ও গতিশীল করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখাবে।

মূল অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে সেতু ভবনের সুপরিসর প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। উক্ত কর্মসূচিতে স্বয়ং মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ চারাগাছ রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণের এই মহৎ উদ্যোগটির তাৎপর্য তুলে ধরে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন যে, প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং চারপাশের সবুজায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশকে সম্পূর্ণ পরিবেশসম্মত ও নান্দনিক করে গড়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রের অভ্যন্তরে এই সবুজায়ন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যসম্মত, মনোরম ও প্রাণবন্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

বৃক্ষরোপণ পর্ব শেষে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ফিতা কেটে নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন অডিটোরিয়ামটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই নতুন অডিটোরিয়ামটি ভবিষ্যতে বিভিন্ন ধরনের দাপ্তরিক সভা, শিক্ষণীয় সেমিনার, বিশেষ কর্মশালা, পেশাগত প্রশিক্ষণ, মতবিনিময় বৈঠক এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার কাজে নিয়মিত ব্যবহৃত হবে। অডিটোরিয়ামটির উদ্বোধনী মুহূর্তে মন্ত্রী বলেন যে, প্রতিষ্ঠানের নিত্যদিনের রুটিন কাজের পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ, কর্মশালা আয়োজন এবং মতবিনিময়ের জন্য মানসম্মত ও উপযোগী অবকাঠামোর উপস্থিতি অত্যন্ত অপরিহার্য। সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব প্রাঙ্গণে নির্মিত এই নতুন অডিটোরিয়ামটি তাদের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা, পেশাগত প্রশিক্ষণ জোরদার করা এবং জ্ঞান বিনিময়ের ধারাকে আরও সুসংগঠিত করতে দারুণভাবে সহায়তা করবে। তিনি পরিশেষে যোগ করেন যে, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও বেশি পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করতে সক্ষম হবেন, যার ফলশ্রুতিতে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সক্ষমতা এবং নাগরিক সেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমে গতিশীলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক গতিপ্রবাহ ত্বরান্বিত করা এবং জনগণের যাতায়াত আরও সুগম করতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অপরিহার্য ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সংস্থাটির কার্যক্রমে অধিকতর গতিশীলতা আনায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোরালো গুরুত্ব আরোপ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি। তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বলেন যে, বর্তমান যুগের ক্রমপরিবর্তনশীল চাহিدার কথা মাথায় রেখে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, সৃজনশীল উদ্যোগ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের কর্মক্ষমতা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলতে হবে।

গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানী ঢাকার সেতু ভবন চত্বরে আয়োজিত একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং নবনির্মিত একটি আধুনিক অডিটোরিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করে তিনি এসব সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি। এছাড়া পুরো অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন সেতু বিভাগের সম্মানিত সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞ নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, যেকোনো অবকাঠামোগত উন্নয়ন কেবল ইট-পাথরের নির্মাণকাজের গণ্ডির মধ্যে সীমিত রাখা যাবে না; বরং এর সঠিক ও দক্ষ পরিচালনা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিও এর সঙ্গে অত্যন্ত গভীরভাবে জড়িত। তাই যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সমান্তরালে সর্বতোভাবে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য উন্নত ভৌত অবকাঠামোর পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়ের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের কার্যকর পদক্ষেপসমূহ প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ ও গতিশীল করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখাবে।

মূল অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে সেতু ভবনের সুপরিসর প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। উক্ত কর্মসূচিতে স্বয়ং মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ চারাগাছ রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণের এই মহৎ উদ্যোগটির তাৎপর্য তুলে ধরে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন যে, প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং চারপাশের সবুজায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশকে সম্পূর্ণ পরিবেশসম্মত ও নান্দনিক করে গড়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রের অভ্যন্তরে এই সবুজায়ন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যসম্মত, মনোরম ও প্রাণবন্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

বৃক্ষরোপণ পর্ব শেষে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ফিতা কেটে নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন অডিটোরিয়ামটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই নতুন অডিটোরিয়ামটি ভবিষ্যতে বিভিন্ন ধরনের দাপ্তরিক সভা, শিক্ষণীয় সেমিনার, বিশেষ কর্মশালা, পেশাগত প্রশিক্ষণ, মতবিনিময় বৈঠক এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার কাজে নিয়মিত ব্যবহৃত হবে। অডিটোরিয়ামটির উদ্বোধনী মুহূর্তে মন্ত্রী বলেন যে, প্রতিষ্ঠানের নিত্যদিনের রুটিন কাজের পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ, কর্মশালা আয়োজন এবং মতবিনিময়ের জন্য মানসম্মত ও উপযোগী অবকাঠামোর উপস্থিতি অত্যন্ত অপরিহার্য। সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব প্রাঙ্গণে নির্মিত এই নতুন অডিটোরিয়ামটি তাদের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা, পেশাগত প্রশিক্ষণ জোরদার করা এবং জ্ঞান বিনিময়ের ধারাকে আরও সুসংগঠিত করতে দারুণভাবে সহায়তা করবে। তিনি পরিশেষে যোগ করেন যে, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও বেশি পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করতে সক্ষম হবেন, যার ফলশ্রুতিতে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সক্ষমতা এবং নাগরিক সেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।