Dhaka ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

গভীর রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি: জনগণের সঙ্গে প্রহসন, প্রত্যাহারের দাবি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:২৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

গভীর রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করে জনগণের ওপর নতুন অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। তিনি এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করে জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার এক বিবৃতিতে মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, বর্তমানে যখন জনগণ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি ও গ্যাস সংকট, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং শিল্প-কারখানার স্থবিরতায় দিশেহারা, ঠিক সেই সময়ে গভীর রাতে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি জনস্বার্থবিরোধী আখ্যা দিয়ে বলেন, এর নেতিবাচক প্রভাব নিত্যপণ্য, কৃষি, পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যাপকভাবে পড়বে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দায়িত্ব হলো জনগণের কষ্ট কমানো। কিন্তু বারবার জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তোলা হচ্ছে। জনগণ যখন স্বস্তি চায়, তখন তাদের ওপর নতুন বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা গভীর রাতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রহসনের শামিল।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ এখন বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, যেখানে হত্যা, অপহরণ ও বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় জনমনে অস্থিরতা বিরাজ করছে। অন্যদিকে শিল্প ও উৎপাদন খাতও নানা সমস্যায় জর্জরিত। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের দায়িত্ব ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার পরিবর্তে নতুন অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, জনগণের মতামত ও বাস্তব পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই স্থায়ী জনসমর্থন তৈরি করতে পারে না। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে উন্নয়নের কথা বলা যেতে পারে, কিন্তু মানুষের কষ্টের বাস্তবতা আড়াল করা যায় না।

বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, জনগণের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের পকেটে হাত দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি পরিহার করতে হবে। মানুষের কষ্ট, ক্ষোভ ও দুর্ভোগকে অবহেলা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন জনগণের আস্থা ধরে রাখতে পারে না; জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

গভীর রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি: জনগণের সঙ্গে প্রহসন, প্রত্যাহারের দাবি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:২৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গভীর রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করে জনগণের ওপর নতুন অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। তিনি এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করে জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার এক বিবৃতিতে মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, বর্তমানে যখন জনগণ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি ও গ্যাস সংকট, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং শিল্প-কারখানার স্থবিরতায় দিশেহারা, ঠিক সেই সময়ে গভীর রাতে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি জনস্বার্থবিরোধী আখ্যা দিয়ে বলেন, এর নেতিবাচক প্রভাব নিত্যপণ্য, কৃষি, পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যাপকভাবে পড়বে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দায়িত্ব হলো জনগণের কষ্ট কমানো। কিন্তু বারবার জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তোলা হচ্ছে। জনগণ যখন স্বস্তি চায়, তখন তাদের ওপর নতুন বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা গভীর রাতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রহসনের শামিল।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ এখন বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, যেখানে হত্যা, অপহরণ ও বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় জনমনে অস্থিরতা বিরাজ করছে। অন্যদিকে শিল্প ও উৎপাদন খাতও নানা সমস্যায় জর্জরিত। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের দায়িত্ব ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার পরিবর্তে নতুন অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, জনগণের মতামত ও বাস্তব পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই স্থায়ী জনসমর্থন তৈরি করতে পারে না। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে উন্নয়নের কথা বলা যেতে পারে, কিন্তু মানুষের কষ্টের বাস্তবতা আড়াল করা যায় না।

বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, জনগণের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের পকেটে হাত দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি পরিহার করতে হবে। মানুষের কষ্ট, ক্ষোভ ও দুর্ভোগকে অবহেলা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন জনগণের আস্থা ধরে রাখতে পারে না; জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।