Dhaka ০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মক্কার মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানির ইন্তেকাল: ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের শোক

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামের সম্মানিত মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার ভোররাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোমবার ফজরের আজানই ছিল মসজিদুল হারামে তার দেওয়া সর্বশেষ আজান, যা মুসলিম উম্মাহর স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ভোররাতে শেখ ইব্রাহিম আল মাদানির আজান দেওয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ প্রকাশ করে, যা তার ভক্ত ও অনুসারীদের কাছে গভীর আবেগ তৈরি করেছে।

সোমবার আসরের নামাজের পর মসজিদুল হারামে শেখ ইব্রাহিম আল মাদানির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে আল-মুয়াল্লা কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

১৯৭৬ সালে মদিনায় জন্মগ্রহণকারী শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি একটি গভীর ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। তার দাদার প্রভাব তার জীবনে ছিল অত্যন্ত গভীর, যিনি নিজেই একজন হাফেজ ছিলেন। পরবর্তীতে শেখ ইব্রাহিম কুরআন বিষয়ক অধ্যয়নে প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা অর্জন করেন।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি স্থানীয় মসজিদে আজান দেওয়ার মধ্য দিয়ে মুয়াজ্জিন হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। কলেজজীবন শেষ হওয়া পর্যন্ত তিনি স্থানীয় আরও তিনজন প্রতিবেশীর সঙ্গে পালাক্রমে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর মদিনার বাইরে শিক্ষকতার দায়িত্ব পালনের কারণে তিনি কিছু সময়ের জন্য এই কাজ থেকে বিরত ছিলেন।

১৪২৮ হিজরি সালে তাকে ‘মসজিদ আল-মাদদাহ’তে পুনরায় আজান দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে তিনি মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত আজান দিয়েছেন। ১৪৩৯ হিজরি সালে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পবিত্র পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

মদিনায় বেড়ে ওঠার কারণে শেখ ইব্রাহিম আজান দেওয়ার ক্ষেত্রে মদিনার ঐতিহ্য ও শৈলী দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। একইসঙ্গে বাবার সঙ্গে মক্কা সফরের সময় তিনি মক্কার স্বতন্ত্র আজানশৈলীর সঙ্গেও পরিচিত হন, যা তার আজানে এক বিশেষ মাধুর্য এনেছিল।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মক্কার মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানির ইন্তেকাল: ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের শোক

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামের সম্মানিত মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার ভোররাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোমবার ফজরের আজানই ছিল মসজিদুল হারামে তার দেওয়া সর্বশেষ আজান, যা মুসলিম উম্মাহর স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ভোররাতে শেখ ইব্রাহিম আল মাদানির আজান দেওয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ প্রকাশ করে, যা তার ভক্ত ও অনুসারীদের কাছে গভীর আবেগ তৈরি করেছে।

সোমবার আসরের নামাজের পর মসজিদুল হারামে শেখ ইব্রাহিম আল মাদানির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে আল-মুয়াল্লা কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

১৯৭৬ সালে মদিনায় জন্মগ্রহণকারী শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি একটি গভীর ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। তার দাদার প্রভাব তার জীবনে ছিল অত্যন্ত গভীর, যিনি নিজেই একজন হাফেজ ছিলেন। পরবর্তীতে শেখ ইব্রাহিম কুরআন বিষয়ক অধ্যয়নে প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা অর্জন করেন।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি স্থানীয় মসজিদে আজান দেওয়ার মধ্য দিয়ে মুয়াজ্জিন হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। কলেজজীবন শেষ হওয়া পর্যন্ত তিনি স্থানীয় আরও তিনজন প্রতিবেশীর সঙ্গে পালাক্রমে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর মদিনার বাইরে শিক্ষকতার দায়িত্ব পালনের কারণে তিনি কিছু সময়ের জন্য এই কাজ থেকে বিরত ছিলেন।

১৪২৮ হিজরি সালে তাকে ‘মসজিদ আল-মাদদাহ’তে পুনরায় আজান দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে তিনি মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত আজান দিয়েছেন। ১৪৩৯ হিজরি সালে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পবিত্র পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

মদিনায় বেড়ে ওঠার কারণে শেখ ইব্রাহিম আজান দেওয়ার ক্ষেত্রে মদিনার ঐতিহ্য ও শৈলী দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। একইসঙ্গে বাবার সঙ্গে মক্কা সফরের সময় তিনি মক্কার স্বতন্ত্র আজানশৈলীর সঙ্গেও পরিচিত হন, যা তার আজানে এক বিশেষ মাধুর্য এনেছিল।