কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যা মামলায় অভিযুক্ত চার আসামির মধ্যে দুজনকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। সোমবার সকালে অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রবিবার রাতে চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দুই কিশোর ফাহাদ ও কামরুলকে সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাকি দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৮) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারেই থাকবেন।
কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান জানান, পুলিশ একটি হত্যা মামলায় রবিবার রাতে চার আসামিকে তাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। আদালতের নির্দেশ মেনে দুই কিশোরকে সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে।
এর আগে রবিবার বিকেলে আসামিদের কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। বিচারকের খাসকামরায় সিয়াম ছাড়া বাকি তিন আসামি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, চার আসামি হলো— সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬), কামরুল হাসান (১৫) ও মো. সিয়াম (১৮)।
গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। ওই দিন বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তোলার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি পাহাড়ি ঝোপ থেকে অপ্রতিমের লাশ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।






















