ইরানের ভূখণ্ডে এখনই তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধরনের সরাসরি সামরিক হামলা চালানোর সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা আপাতত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’-কে প্রদত্ত এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একই সাথে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের চলমান কূটনৈতিক আলোচনার ইতিবাচক অগ্রগতির আবহ থাকা সত্ত্বেও যেকোনো হঠাৎ উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আমেরিকান সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণরূপে সতর্ক ও প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।
আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘মিডল ইস্ট আই’-এর প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর খবরটির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজস্ব ভঙ্গিতে বলেন, “আমি মানসিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত এবং আমাদের সামরিক বাহিনীও সবদিক থেকে প্রস্তুত রয়েছে। আমাদের যদি শেষ পর্যন্ত কোনো সামরিক পদক্ষেপের দিকে যেতেই হয়, তবে তার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত এবং ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ অবস্থায় রয়েছি; তবে আশা করা যায় এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার হয়তো কোনো চরম প্রয়োজন নাও পড়তে পারে।”
ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান পর্দার পিছনের আলোচনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও যুক্ত করেন, “টেবিলে আলোচনার যে ধারা চলছে, তাতে মনে হচ্ছে আমরা ইরানের নিকট থেকে যা যা পেতে চাই, তার প্রায় সবই সফলভাবে পেয়ে যাচ্ছি।”
এছাড়াও, ইরানের অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল করে দিতে দেশটির বিভিন্ন সমুদ্রবন্দর ও বাণিজ্যিক চ্যানেলগুলোর ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা এবং সর্বাত্মক অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের মাধ্যমে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের বহুমাত্রিক মানসিক চাপ সৃষ্টি করার বর্তমান প্রচেষ্টাকে ট্রাম্প অত্যন্ত ইতিবাচক ও একটি ‘চমৎকার পরিস্থিতি’ হিসেবে জনসমক্ষে বর্ণনা করেন।























