Dhaka ০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

অভাব-অনটন ও অনিশ্চয়তায় মুমিনের সঠিক করণীয়

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

মানবজীবনে সচ্ছলতা ও অনটন পাশাপাশি অবস্থান করে। কখনো আর্থিক সংকট, কর্মহীনতা বা ঋণের বোঝা জীবনকে কঠিন করে তোলে, আবার কখনো ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে আল্লাহ তাআলার ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা এবং ধৈর্য ধারণ করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।

ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে অভাব-অনটন বা সংকটকাল মানুষের জন্য এক ধরণের পরীক্ষা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে ক্ষুধা, ভয় এবং ধন-সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে তিনি বান্দাদের পরীক্ষা করেন এবং বিপদে ধৈর্য ধারণকারীদের জন্য সুসংবাদ দিয়েছেন। ফলে সাময়িক সংকটে নিরাশ না হয়ে তাকওয়া বা খোদাভীতি বজায় রাখা এবং সততার ওপর অবিচল থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংকটকালে আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস রাখা ও তওবার মাধ্যমে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করলে উত্তরণের পথ সহজ হয়। হাদিস শরিফে এসেছে, মুমিনের প্রতিটি অবস্থাই কল্যাণের—সুখ-শান্তিতে শোকরগুজারি করা এবং বিপদে ধৈর্য ধারণ করার মাধ্যমেই পরকালের সফলতা নিশ্চিত হয়।

জনপ্রিয়

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে দুই বাড়িতে অভিযান, ১৯৪ বস্তা সার জব্দ

অভাব-অনটন ও অনিশ্চয়তায় মুমিনের সঠিক করণীয়

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

মানবজীবনে সচ্ছলতা ও অনটন পাশাপাশি অবস্থান করে। কখনো আর্থিক সংকট, কর্মহীনতা বা ঋণের বোঝা জীবনকে কঠিন করে তোলে, আবার কখনো ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে আল্লাহ তাআলার ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা এবং ধৈর্য ধারণ করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।

ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে অভাব-অনটন বা সংকটকাল মানুষের জন্য এক ধরণের পরীক্ষা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে ক্ষুধা, ভয় এবং ধন-সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে তিনি বান্দাদের পরীক্ষা করেন এবং বিপদে ধৈর্য ধারণকারীদের জন্য সুসংবাদ দিয়েছেন। ফলে সাময়িক সংকটে নিরাশ না হয়ে তাকওয়া বা খোদাভীতি বজায় রাখা এবং সততার ওপর অবিচল থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংকটকালে আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস রাখা ও তওবার মাধ্যমে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করলে উত্তরণের পথ সহজ হয়। হাদিস শরিফে এসেছে, মুমিনের প্রতিটি অবস্থাই কল্যাণের—সুখ-শান্তিতে শোকরগুজারি করা এবং বিপদে ধৈর্য ধারণ করার মাধ্যমেই পরকালের সফলতা নিশ্চিত হয়।