মানবজীবনে সচ্ছলতা ও অনটন পাশাপাশি অবস্থান করে। কখনো আর্থিক সংকট, কর্মহীনতা বা ঋণের বোঝা জীবনকে কঠিন করে তোলে, আবার কখনো ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে আল্লাহ তাআলার ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা এবং ধৈর্য ধারণ করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে অভাব-অনটন বা সংকটকাল মানুষের জন্য এক ধরণের পরীক্ষা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে ক্ষুধা, ভয় এবং ধন-সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে তিনি বান্দাদের পরীক্ষা করেন এবং বিপদে ধৈর্য ধারণকারীদের জন্য সুসংবাদ দিয়েছেন। ফলে সাময়িক সংকটে নিরাশ না হয়ে তাকওয়া বা খোদাভীতি বজায় রাখা এবং সততার ওপর অবিচল থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংকটকালে আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস রাখা ও তওবার মাধ্যমে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করলে উত্তরণের পথ সহজ হয়। হাদিস শরিফে এসেছে, মুমিনের প্রতিটি অবস্থাই কল্যাণের—সুখ-শান্তিতে শোকরগুজারি করা এবং বিপদে ধৈর্য ধারণ করার মাধ্যমেই পরকালের সফলতা নিশ্চিত হয়।


























