গত জুলাই মাসে সংগঠিত ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মারাত্মক অভিযোগে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, ডা. দীপু মনি, শাহজাহান খান, ফারুক খান, আব্দুর রাজ্জাক এবং উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীসহ মোট সাতজন হেভিওয়েট নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাক-অভিযোগপত্র দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।
আজ সোমবার (২ নভেম্বর) পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এই সুনির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্রটি দাখিল করা হয়। দায়ের করা এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকার মিরপুর, উত্তরাসহ দেশের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বরোচিত হত্যা, পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা, উসকানি প্রদান এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রসহ বহুবিধ মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আনা অভিযোগে সবিস্তারে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত আসামিদের সরাসরি পূর্ব-পরিকল্পনা, নির্দেশ ও উসকানিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া নিরপরাধ ছাত্র-জনতার ওপর চরম নৃশংসতায় ব্যাপক ও পদ্ধতিগতভাবে সশস্ত্র আক্রমণ এবং শারীরিক-মানসিক নির্যাতন চালানো হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিলকৃত এই মামলায় অভিযুক্ত মোট সাত আসামির মধ্যে ছয়জনই বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। মামলায় অভিযুক্ত অপর আসামি সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা আজম ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।
আজ মামলা দাখিলের পর ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী তামিম গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন যে, আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র গ্রহণের পর খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের (চার্জ ফ্রামিং) শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।


























