ঋতুবদলের এই মিষ্টি আবহাওয়ায় এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা আর সবুজের সান্নিধ্য নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করে এনে দিতে পারে অনাবিল প্রশান্তি। ইট-কাঠের চার দেয়ালে ঘেরা ঘরে নিজস্ব রুচি, মাটির সুবাস ও নরম আলোর মেলবন্ধনে বারান্দার ছোট্ট পরিসরটিই হয়ে উঠতে পারে প্রশান্তির দারুণ এক আশ্রয়। হেমন্তের স্নিগ্ধ বিকালে বারান্দাকে প্রকৃতির রঙে সাজিয়ে তোলার নানা শৈল্পিক ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন আমানুর রহমান।
বারান্দার যেকোনো একটি কোণে ছোট টেবিল ও দুটি আরামদায়ক বেতের চেয়ার বসিয়ে অনায়াসেই বানিয়ে নেওয়া যায় একটি চমৎকার ‘ক্যাফে কর্নার’। টেবিলের ওপর সাজিয়ে রাখা যেতে পারে প্রিয় কিছু বই, নোটবুক কিংবা চিত্রাঙ্কনের ক্যানভাস। ব্যস্ত দিনের শেষে এখানে বসে প্রিয় পানীয় উপভোগ করা কিংবা প্রকৃতির নীরবতা উপভোগ করা মনের ক্লান্তি দূর করতে দারুণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া বারান্দার সজ্জায় মাটির দেশজ উপাদান যোগ করতে পারে ভিন্ন আবহ। পোড়ামাটির টবে মরসুমি ফুলগাছ, দেয়ালে মাটির নকশাখচিত সরা এবং মেঝেতে শীতলপাটির বিন্যাস এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে। টেবিলের ওপর মাটির প্রদীপ বা কারুকার্যময় ফুলদানির উপস্থিতি হেমন্তের কোমল আলোর সাথে মিশে ঐতিহ্যের এক স্নিগ্ধ রূপ ফুটিয়ে তোলে।


























