Dhaka ১২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ ও সংরক্ষিত আসনের নবনির্বাচিত ২ সংসদ সদস্যের শপথগ্রহণ আজ

পোশাকে শালীনতা: ব্যক্তিগত মার্জিতবোধ থেকে সামাজিক সংস্কৃতি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

দৈনন্দিন জীবনে ‘শালীনতা’ শব্দটির যথাযথ প্রয়োগ দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে। নৃ-তাত্ত্বিকভাবে মানবজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পোশাক-পরিচ্ছদ। দেশ, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে পোশাকে শালীনতা বজায় রাখার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। নৃবিজ্ঞানও পোশাককে সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যবর্ধন নয়, বরং শরীর ঢেকে রাখা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টি এড়ানোর একটি কার্যকর মাধ্যম।

পোশাকে শালীনতা বজায় রাখা নিজের জন্য যেমন স্বস্তিদায়ক, তেমনি সমাজের অন্যদের প্রতিও এক ধরনের সম্মান প্রদর্শন। অন্যের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি না করা এবং সুস্থ মানসিকতার পরিচয় দেওয়া একজন সভ্য নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ইউরোপের অমুসলিম সমাজে শালীনতার চর্চা দেখা গেলেও, বর্তমান সময়ে মুসলিমপ্রধান দেশগুলোতেও এর ব্যত্যয় ঘটছে। পশ্চিমা সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে সংক্ষিপ্ত পোশাকের পসরা বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি উদাসীনতারই বহিঃপ্রকাশ।

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও পোশাক নির্বাচনে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি। বিশেষ করে পোশাক হতে হবে ঢিলেঢালা, যা সতর ঢাকতে সক্ষম এবং আঁটসাঁট বা অহংকার প্রদর্শক হবে না। সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে পোশাকের শালীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত আবশ্যক।

জনপ্রিয়

বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পোশাকে শালীনতা: ব্যক্তিগত মার্জিতবোধ থেকে সামাজিক সংস্কৃতি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

দৈনন্দিন জীবনে ‘শালীনতা’ শব্দটির যথাযথ প্রয়োগ দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে। নৃ-তাত্ত্বিকভাবে মানবজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পোশাক-পরিচ্ছদ। দেশ, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে পোশাকে শালীনতা বজায় রাখার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। নৃবিজ্ঞানও পোশাককে সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যবর্ধন নয়, বরং শরীর ঢেকে রাখা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টি এড়ানোর একটি কার্যকর মাধ্যম।

পোশাকে শালীনতা বজায় রাখা নিজের জন্য যেমন স্বস্তিদায়ক, তেমনি সমাজের অন্যদের প্রতিও এক ধরনের সম্মান প্রদর্শন। অন্যের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি না করা এবং সুস্থ মানসিকতার পরিচয় দেওয়া একজন সভ্য নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ইউরোপের অমুসলিম সমাজে শালীনতার চর্চা দেখা গেলেও, বর্তমান সময়ে মুসলিমপ্রধান দেশগুলোতেও এর ব্যত্যয় ঘটছে। পশ্চিমা সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে সংক্ষিপ্ত পোশাকের পসরা বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি উদাসীনতারই বহিঃপ্রকাশ।

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও পোশাক নির্বাচনে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি। বিশেষ করে পোশাক হতে হবে ঢিলেঢালা, যা সতর ঢাকতে সক্ষম এবং আঁটসাঁট বা অহংকার প্রদর্শক হবে না। সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে পোশাকের শালীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত আবশ্যক।