ভারতের রাজস্থানের কিশানগড়ে মার্বেলশিল্পের একটি বিশাল বর্জ্য ফেলার স্থান এখন জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সাদা বর্জ্যের স্তূপ ও নীল পানির কৃত্রিম জলাশয়ের কারণে স্থানটি দেখতে অনেকটা তুষারাবৃত কাশ্মীরের মতো মনে হওয়ায় প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী সেখানে ভিড় করছেন। স্থানীয়ভাবে এটি ‘স্নো ইয়ার্ড’ নামে পরিচিত।
প্রায় ৩০০ একর এলাকাজুড়ে গড়ে ওঠা এশিয়ার বৃহত্তম এই মার্বেল বর্জ্যের ভাগাড়ে কোনো প্রবেশমূল্য না থাকায় নবদম্পতিরা ছবি তুলতে এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটররা ভিডিও বানাতে নিয়মিত জড়ো হচ্ছেন। এমনকি চলচ্চিত্র ও গানের দৃশ্য ধারণের জন্যও জায়গাটি ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এই কৃত্রিম সৌন্দর্যের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশদূষণ।
মার্বেল বর্জ্য থেকে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়া সাদা ধুলার কারণে সংলগ্ন গ্রামগুলোর বাসিন্দারা ফুসফুসের সংক্রমণ, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি এলাকার মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানির গুণগত মানও মারাত্মকভাবে বিনষ্ট হচ্ছে।
ভাগাড়ের অদূরে বসবাসকারী গ্রামবাসী জানান, বাতাসে উড়ে আসা মিহি ধুলা ফসলি জমি নষ্ট করে দিচ্ছে এবং বয়োবৃদ্ধদের স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটাচ্ছে। দর্শনার্থীদের অনেকেই স্থানটির বাহ্যিক রূপ দেখে আকৃষ্ট হলেও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সম্পূর্ণ অসচেতন রয়েছেন।


























