বাগেরহাটের চিতলমারীতে শীতের শুরুতেই বিল ও জলাশয়গুলোতে অতিথি পাখির আনাগোনা শুরু হয়েছে। তবে একশ্রেণির অসাধু শিকারি ফাঁদ পেতে অবাধে পাখি শিকার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর শীতের এই সময়ে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন শীতপ্রধান দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে চিতলমারীর বিভিন্ন জলাশয় ও চিত্রা নদীর পাড়ে আশ্রয় নেয় নানা প্রজাতির পাখি। কিন্তু নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আসা এসব পাখির একটি বড় অংশ শিকারিদের ফাঁদে পড়ে প্রাণ হারাচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলার রুয়েরকুল, সোনাখালী, বারাশিয়া ও কালশিরাসহ বিভিন্ন বিলে ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করা হচ্ছে। এছাড়া উপজেলার পাগল মার্কেট ও চিতলমারী সদর বাজারের বিভিন্ন স্থানে গোপনে এসব শিকার করা পাখি বিক্রি করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী পাখি শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও শিকারিরা তা মানছে না।
বন্যপ্রাণি ও প্রকৃতি রক্ষায় পাখি শিকার বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকার সচেতন মহল।
এ বিষয়ে চিতলমারী থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার ঘোষ জানিয়েছেন, পাখি শিকার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাখি শিকারিদের অবস্থান চিহ্নিত করে দ্রুত অভিযান চালানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার বলেন, ‘পাখি শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ। এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

























