Dhaka ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

পর্তুগালে আবাসন সংকট: প্রস্তাবিত ভাড়া আইন বাতিলের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

প্রস্তাবিত ভাড়া আইন বাতিলের দাবিতে লিসবনের রসিও স্কয়ারে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভকারীদের আশঙ্কা, প্রস্তাবিত এ আইন কার্যকর হলে দেশটির আবাসন সংকট আরও তীব্র হবে।

ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ আবাসন সংকটের মুখে থাকা দেশগুলোর একটি পর্তুগাল। এ সংকটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন তরুণরা। ২০১৭ সালের পর থেকে দেশটিতে বাড়ির দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। অন্যদিকে, নতুন ভাড়ার চুক্তিতে বাড়িভাড়া বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

আয়োজকদের দাবি, শনিবার মধ্য লিসবনের রসিও স্কয়ারে কয়েক হাজার মানুষ সমবেত হন। তবে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো হিসাব দেওয়া হয়নি।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আবাসন সংকটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ জোরালো হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে একই চত্বরে তাঁবু টানিয়ে গড়ে তোলা একটি প্রতিবাদী শিবির উচ্ছেদের সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আবাসন অধিকার আন্দোলন ‘কাসা পারা ভিভের’ মুখপাত্র রিতা সিলভা সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিপিকে বলেন, আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বর্তমান সময়ে জীবিকা নির্বাহের চরম দুর্ভোগের বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনে মানুষ অসাধারণ অধ্যবসায়, শক্তি ও দৃঢ়তার পরিচয় দিচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কথা শোনার কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। …বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।’

আবাসন ব্যয়ের লাগামহীন বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে স্পেন, ফ্রান্স ও জার্মানিতেও যে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ চলছে, পর্তুগালের এই আন্দোলন তারই প্রতিফলন।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুইস নেভেস বলেছেন, সরকার বিক্ষোভের যৌক্তিকতা ও বৈধতাকে সম্মান করে। তবে একই সঙ্গে তিনি বিক্ষোভকারীদের ‘শৃঙ্খলা ও শালীনতা বজায় রেখে’ এবং ‘আইন মেনে’ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি, এমন একটি বিল বাতিল করতে হবে, যার মাধ্যমে বাড়ির মালিকদের জন্য ভাড়াটেদের উচ্ছেদ করা সহজ হবে এবং নতুন ভাড়ার চুক্তির ক্ষেত্রে ভাড়ার ওপর বিদ্যমান সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেওয়া হবে।

বিলটি পার্লামেন্টে প্রথম দফার বিতর্কে অনুমোদন পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে উগ্র ডানপন্থি দল চেগা ভোটদানে বিরত ছিল।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো বিলটি পুরোপুরি বাতিলের সম্ভাবনা নাকচ করে দেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, কিছু সংশোধনী আনা হতে পারে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পর্তুগালে আবাসন সংকট: প্রস্তাবিত ভাড়া আইন বাতিলের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

প্রস্তাবিত ভাড়া আইন বাতিলের দাবিতে লিসবনের রসিও স্কয়ারে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভকারীদের আশঙ্কা, প্রস্তাবিত এ আইন কার্যকর হলে দেশটির আবাসন সংকট আরও তীব্র হবে।

ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ আবাসন সংকটের মুখে থাকা দেশগুলোর একটি পর্তুগাল। এ সংকটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন তরুণরা। ২০১৭ সালের পর থেকে দেশটিতে বাড়ির দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। অন্যদিকে, নতুন ভাড়ার চুক্তিতে বাড়িভাড়া বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

আয়োজকদের দাবি, শনিবার মধ্য লিসবনের রসিও স্কয়ারে কয়েক হাজার মানুষ সমবেত হন। তবে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো হিসাব দেওয়া হয়নি।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আবাসন সংকটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ জোরালো হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে একই চত্বরে তাঁবু টানিয়ে গড়ে তোলা একটি প্রতিবাদী শিবির উচ্ছেদের সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আবাসন অধিকার আন্দোলন ‘কাসা পারা ভিভের’ মুখপাত্র রিতা সিলভা সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিপিকে বলেন, আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বর্তমান সময়ে জীবিকা নির্বাহের চরম দুর্ভোগের বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনে মানুষ অসাধারণ অধ্যবসায়, শক্তি ও দৃঢ়তার পরিচয় দিচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কথা শোনার কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। …বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।’

আবাসন ব্যয়ের লাগামহীন বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে স্পেন, ফ্রান্স ও জার্মানিতেও যে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ চলছে, পর্তুগালের এই আন্দোলন তারই প্রতিফলন।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুইস নেভেস বলেছেন, সরকার বিক্ষোভের যৌক্তিকতা ও বৈধতাকে সম্মান করে। তবে একই সঙ্গে তিনি বিক্ষোভকারীদের ‘শৃঙ্খলা ও শালীনতা বজায় রেখে’ এবং ‘আইন মেনে’ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি, এমন একটি বিল বাতিল করতে হবে, যার মাধ্যমে বাড়ির মালিকদের জন্য ভাড়াটেদের উচ্ছেদ করা সহজ হবে এবং নতুন ভাড়ার চুক্তির ক্ষেত্রে ভাড়ার ওপর বিদ্যমান সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেওয়া হবে।

বিলটি পার্লামেন্টে প্রথম দফার বিতর্কে অনুমোদন পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে উগ্র ডানপন্থি দল চেগা ভোটদানে বিরত ছিল।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো বিলটি পুরোপুরি বাতিলের সম্ভাবনা নাকচ করে দেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, কিছু সংশোধনী আনা হতে পারে।