Dhaka ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

উখিয়ায় গভীর নলকূপের মুখে লাগা আগুন ৪৮ ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ স্থাপনের সময় ভূগর্ভ থেকে উদ্গত গ্যাসে লাগা আগুন টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে। আগুনের তীব্রতা এবং সম্ভাব্য বড় ধরনের ঝুঁকি এড়াতে ঘটনাস্থলের চারপাশে দুই শ মিটার এলাকা জুড়ে কাঁটাতারের নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করেছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। অন্যদিকে, আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডের উৎস ও গ্যাসের উপাদান নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছোটখাল সংলগ্ন গ্যাস নির্গমনের উৎসস্থলের আশপাশে এই বেষ্টনী গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়। এদিকে আগুনের শিখা কাছাকাছি বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইনে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিরাপদ হওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় প্রশাসন জানায়, গত মঙ্গলবার সকালে ইনানী ছোট খাল সেতুসংলগ্ন এলাকায় একটি বসতবাড়িতে গভীর নলকূপ খননের সময় হঠাৎ মাটির নিচ থেকে প্রচণ্ড বেগে গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং মুহূর্তেই তাতে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও ভূগর্ভ থেকে অবিরাম গ্যাস নির্গমনের কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বাপেক্সের একটি বিশেষায়িত দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করে। দলটির প্রধান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নলকূপ খননের সময় প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে গ্যাসের স্তরের কাছাকাছি পৌঁছানো হয়েছিল, যেখান থেকে ভূগর্ভস্থ ফাটল দিয়ে গ্যাস উপরে উঠে আসছে। তবে পরীক্ষাগারে বিস্তারিত বিশ্লেষণ ছাড়া এর সঠিক প্রকৃতি ও মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া জোর করে গ্যাসের চাপ বন্ধের চেষ্টা করলে অন্য কোনো দুর্বল স্থান দিয়ে তা বের হয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উখিয়ায় গভীর নলকূপের মুখে লাগা আগুন ৪৮ ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ স্থাপনের সময় ভূগর্ভ থেকে উদ্গত গ্যাসে লাগা আগুন টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে। আগুনের তীব্রতা এবং সম্ভাব্য বড় ধরনের ঝুঁকি এড়াতে ঘটনাস্থলের চারপাশে দুই শ মিটার এলাকা জুড়ে কাঁটাতারের নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করেছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। অন্যদিকে, আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডের উৎস ও গ্যাসের উপাদান নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছোটখাল সংলগ্ন গ্যাস নির্গমনের উৎসস্থলের আশপাশে এই বেষ্টনী গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়। এদিকে আগুনের শিখা কাছাকাছি বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইনে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিরাপদ হওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় প্রশাসন জানায়, গত মঙ্গলবার সকালে ইনানী ছোট খাল সেতুসংলগ্ন এলাকায় একটি বসতবাড়িতে গভীর নলকূপ খননের সময় হঠাৎ মাটির নিচ থেকে প্রচণ্ড বেগে গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং মুহূর্তেই তাতে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও ভূগর্ভ থেকে অবিরাম গ্যাস নির্গমনের কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বাপেক্সের একটি বিশেষায়িত দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করে। দলটির প্রধান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নলকূপ খননের সময় প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে গ্যাসের স্তরের কাছাকাছি পৌঁছানো হয়েছিল, যেখান থেকে ভূগর্ভস্থ ফাটল দিয়ে গ্যাস উপরে উঠে আসছে। তবে পরীক্ষাগারে বিস্তারিত বিশ্লেষণ ছাড়া এর সঠিক প্রকৃতি ও মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া জোর করে গ্যাসের চাপ বন্ধের চেষ্টা করলে অন্য কোনো দুর্বল স্থান দিয়ে তা বের হয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।