Dhaka ০৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, প্রশাসনের তিন উপসচিবকে ওএসডি করল সরকার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

জালিয়াতি, প্রতারণা ও বেআইনি পথ অবলম্বন করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অবৈধভাবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুনির্দিষ্ট গুরুতর অভিযোগে প্রশাসন ক্যাডারের তিন জ্যেষ্ঠ উপসচিবকে একযোগে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে ন্যস্ত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। স্বাধীন সংস্থাজাতীয় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দীর্ঘ অনুসন্ধানে জালিয়াতির দাপ্তরিক প্রমাণ মেলার পরেই তাঁদের বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো।

গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) গভীর রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা তিনটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে উক্ত কর্মকর্তাদের ওএসডি করার তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বজনীন করা হয়। শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়া ওএসডি হওয়া তিন উপসচিব হলেন—জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. তোফাজ্জল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পরিচালক পদে দায়িত্বরত রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব পদে দায়িত্ব পালনকারী নাহিদা বারিক।

মন্ত্রণালয় ও সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এই তিন কর্মকর্তাই বিসিএস পরীক্ষার ২৯তম ব্যাচের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সে সময় সরকারি নথিপত্রে তাঁদের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সফল নিয়োগপ্রাপ্ত হিসেবে দেখানো হলেও দুদকের নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধানে নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয় যে, বিসিএস পরীক্ষার সময় প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণের ক্ষেত্রে তাঁরা কেউই মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য কোনো দাবি জানাননি। পরবর্তীতে স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার চরম অপব্যবহার ও প্রাতিষ্ঠানিক জালিয়াতির আশ্রয়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের প্রায় দীর্ঘ ছয় মাস পর সম্পূর্ণ অনিয়মের মাধ্যমে তাঁদের অবৈধভাবে নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছিল।

চলতি বছরের প্রারম্ভে জানুয়ারি মাসে দুদকের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট মামলা দায়েরের পর অবশেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাঁদের বিরুদ্ধে এ কঠোর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বলবৎ করল।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, প্রশাসনের তিন উপসচিবকে ওএসডি করল সরকার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

জালিয়াতি, প্রতারণা ও বেআইনি পথ অবলম্বন করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অবৈধভাবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুনির্দিষ্ট গুরুতর অভিযোগে প্রশাসন ক্যাডারের তিন জ্যেষ্ঠ উপসচিবকে একযোগে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে ন্যস্ত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। স্বাধীন সংস্থাজাতীয় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দীর্ঘ অনুসন্ধানে জালিয়াতির দাপ্তরিক প্রমাণ মেলার পরেই তাঁদের বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো।

গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) গভীর রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা তিনটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে উক্ত কর্মকর্তাদের ওএসডি করার তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বজনীন করা হয়। শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়া ওএসডি হওয়া তিন উপসচিব হলেন—জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. তোফাজ্জল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পরিচালক পদে দায়িত্বরত রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব পদে দায়িত্ব পালনকারী নাহিদা বারিক।

মন্ত্রণালয় ও সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এই তিন কর্মকর্তাই বিসিএস পরীক্ষার ২৯তম ব্যাচের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সে সময় সরকারি নথিপত্রে তাঁদের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সফল নিয়োগপ্রাপ্ত হিসেবে দেখানো হলেও দুদকের নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধানে নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয় যে, বিসিএস পরীক্ষার সময় প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণের ক্ষেত্রে তাঁরা কেউই মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য কোনো দাবি জানাননি। পরবর্তীতে স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার চরম অপব্যবহার ও প্রাতিষ্ঠানিক জালিয়াতির আশ্রয়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের প্রায় দীর্ঘ ছয় মাস পর সম্পূর্ণ অনিয়মের মাধ্যমে তাঁদের অবৈধভাবে নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছিল।

চলতি বছরের প্রারম্ভে জানুয়ারি মাসে দুদকের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট মামলা দায়েরের পর অবশেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাঁদের বিরুদ্ধে এ কঠোর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বলবৎ করল।