Dhaka ০৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

উখিয়ায় ভূগর্ভস্থ গ্যাসে অগ্নিকাণ্ড: ৩৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ৪ হাজার পরিবার, উৎস সন্ধানে বাপেক্স

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ স্থাপনের সময় ভূগর্ভ থেকে নির্গত গ্যাসে লাগা আগুন ৩৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জ্বলছে। আগুনের শিখা বৈদ্যুতিক তারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে মঙ্গলবার ভোর ৬টা ১৫ মিনিট থেকে প্রায় ৪ হাজার পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। বুধবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।

উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম প্রকৌশলী কাইজার নুর বুধবার জানান, গ্যাসের আগুনের কারণে মঙ্গলবার ভোর ৬টা ১৫ মিনিট থেকে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিকল্প সংযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং আজ সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, আগুনের উৎস ও গ্যাসের প্রকৃতি নির্ধারণে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিশেষজ্ঞ দলটি প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ চালায় এবং বুধবার গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

বাপেক্সের ব্যবস্থাপক (ভূতত্ত্ব) ও ভূতাত্ত্বিক জরিপ দলের দলপ্রধান এস এম নাফিফুন আরহাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নলকূপ খননের সময় প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে গ্যাসের স্তরের কাছাকাছি পৌঁছানো হয়েছিল। সেখান থেকে ভূগর্ভের ফাটল বা ভূতাত্ত্বিক চ্যুতির মাধ্যমে গ্যাস ভূপৃষ্ঠে উঠে আসতে পারে। তবে পরীক্ষাগারে নমুনা বিশ্লেষণের আগে গ্যাসের প্রকৃতি, উপাদান ও মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

তিনি আরও জানান, গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করতে বা এর চাপ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করলে ভূগর্ভের অন্য কোনো দুর্বল স্থান দিয়ে গ্যাস বেরিয়ে আসতে পারে। এতে ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আপাতত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে দূরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানী ছোট খাল সেতুসংলগ্ন এলাকায় মোহাম্মদ আবদুল্লাহর বসতভিটায় গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য মাটি খোঁড়ার সময় গ্যাস নির্গমন শুরু হয়। পরে গর্ত থেকে বের হওয়া গ্যাসে আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও গ্যাসের নির্গমন অব্যাহত থাকায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উখিয়ায় ভূগর্ভস্থ গ্যাসে অগ্নিকাণ্ড: ৩৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ৪ হাজার পরিবার, উৎস সন্ধানে বাপেক্স

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ স্থাপনের সময় ভূগর্ভ থেকে নির্গত গ্যাসে লাগা আগুন ৩৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জ্বলছে। আগুনের শিখা বৈদ্যুতিক তারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে মঙ্গলবার ভোর ৬টা ১৫ মিনিট থেকে প্রায় ৪ হাজার পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। বুধবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।

উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম প্রকৌশলী কাইজার নুর বুধবার জানান, গ্যাসের আগুনের কারণে মঙ্গলবার ভোর ৬টা ১৫ মিনিট থেকে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিকল্প সংযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং আজ সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, আগুনের উৎস ও গ্যাসের প্রকৃতি নির্ধারণে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিশেষজ্ঞ দলটি প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ চালায় এবং বুধবার গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

বাপেক্সের ব্যবস্থাপক (ভূতত্ত্ব) ও ভূতাত্ত্বিক জরিপ দলের দলপ্রধান এস এম নাফিফুন আরহাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নলকূপ খননের সময় প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে গ্যাসের স্তরের কাছাকাছি পৌঁছানো হয়েছিল। সেখান থেকে ভূগর্ভের ফাটল বা ভূতাত্ত্বিক চ্যুতির মাধ্যমে গ্যাস ভূপৃষ্ঠে উঠে আসতে পারে। তবে পরীক্ষাগারে নমুনা বিশ্লেষণের আগে গ্যাসের প্রকৃতি, উপাদান ও মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

তিনি আরও জানান, গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করতে বা এর চাপ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করলে ভূগর্ভের অন্য কোনো দুর্বল স্থান দিয়ে গ্যাস বেরিয়ে আসতে পারে। এতে ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আপাতত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে দূরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানী ছোট খাল সেতুসংলগ্ন এলাকায় মোহাম্মদ আবদুল্লাহর বসতভিটায় গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য মাটি খোঁড়ার সময় গ্যাস নির্গমন শুরু হয়। পরে গর্ত থেকে বের হওয়া গ্যাসে আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও গ্যাসের নির্গমন অব্যাহত থাকায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি।