Dhaka ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: এনবিআর কর্মকর্তা শ্যামল কৃষ্ণের ৫ বছরের কারাদণ্ড

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার নয় নম্বর বিশেষ জজ আব্দুস সালামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আসামির অবৈধভাবে উপার্জিত এক কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় আসামি জামিনে ছিলেন এবং রায় ঘোষণার আগে আদালতে উপস্থিত হন। রায় শেষে তার জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ মে এক কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শ্যামল কৃষ্ণ দাস এনবিআরের কর অঞ্চল ময়মনসিংহে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে অবসরে রয়েছেন। তিনি ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকে নিজ নামে ও নির্ভরশীলদের নামে যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা ও আয়ের উৎসসহ বিস্তারিত বিবরণী জমা দেন। জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮১৭ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। এর সঙ্গে ৩১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করে মোট ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব পাওয়া যায়। যার মধ্যে গ্রহণযোগ্য আয় ছিল ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা। বাকি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার আয়ের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি, যা দুদক জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বলে প্রতীয়মান করে।

মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ১৭ এপ্রিল শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলায় বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: এনবিআর কর্মকর্তা শ্যামল কৃষ্ণের ৫ বছরের কারাদণ্ড

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার নয় নম্বর বিশেষ জজ আব্দুস সালামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আসামির অবৈধভাবে উপার্জিত এক কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় আসামি জামিনে ছিলেন এবং রায় ঘোষণার আগে আদালতে উপস্থিত হন। রায় শেষে তার জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ মে এক কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শ্যামল কৃষ্ণ দাস এনবিআরের কর অঞ্চল ময়মনসিংহে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে অবসরে রয়েছেন। তিনি ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকে নিজ নামে ও নির্ভরশীলদের নামে যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা ও আয়ের উৎসসহ বিস্তারিত বিবরণী জমা দেন। জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮১৭ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। এর সঙ্গে ৩১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করে মোট ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব পাওয়া যায়। যার মধ্যে গ্রহণযোগ্য আয় ছিল ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা। বাকি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার আয়ের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি, যা দুদক জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বলে প্রতীয়মান করে।

মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ১৭ এপ্রিল শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলায় বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।