Dhaka ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতার লড়াইয়ে নেতানিয়াহু

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

ইসরাইলে আজ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনে আবারও ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছেন দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে তার নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি জোটের সঙ্গে বিরোধী শিবিরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ কঠিন হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনমত জরিপে দুই পক্ষের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলেছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষেরই স্পষ্ট এগিয়ে থাকার চিত্র পাওয়া যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলার পর এটিই দেশটির প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই হামলার পর গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান এবং পরবর্তী সময়ে লেবানন, ইরান, ইয়েমেন, সিরিয়া ও কাতারে ইসরাইলি হামলাকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা, সরকারের জবাবদিহি, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের নীতি নির্বাচনি আলোচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই নির্বাচন শুধু নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না; বরং ইসরাইলের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির রাজনৈতিক গতিপথ সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে।

ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া ইসরাইলের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবারও লড়াইয়ে নেমেছেন। তার নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি ও ক্ষমতাসীন জোটে কট্টর ডানপন্থি জাতীয়তাবাদী এবং অতি-গোঁড়া ইহুদিধর্মীয় দলগুলো রয়েছে। তবে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখেও রয়েছেন তিনি। গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখে রয়েছেন নেতানিয়াহু। এ ছাড়া ঘুষ, জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলা দুর্নীতির বিচারও রাজনৈতিক বিতর্কের অন্যতম বিষয়, যদিও তিনি এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলার আগে ও পরে নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়ে তার সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রশ্ন রয়েছে। নির্বাচনি প্রচারে এসব ব্যর্থতার দায়, অতি-গোঁড়া ইহুদিদের সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ এবং আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোকে সম্ভাব্য সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও জোরালোভাবে আলোচনায় এসেছে। ইসরাইলের রাজনীতিতে বর্তমানে ডানপন্থিদের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতার লড়াইয়ে নেতানিয়াহু

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ইসরাইলে আজ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনে আবারও ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছেন দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে তার নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি জোটের সঙ্গে বিরোধী শিবিরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ কঠিন হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনমত জরিপে দুই পক্ষের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলেছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষেরই স্পষ্ট এগিয়ে থাকার চিত্র পাওয়া যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলার পর এটিই দেশটির প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই হামলার পর গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান এবং পরবর্তী সময়ে লেবানন, ইরান, ইয়েমেন, সিরিয়া ও কাতারে ইসরাইলি হামলাকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা, সরকারের জবাবদিহি, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের নীতি নির্বাচনি আলোচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই নির্বাচন শুধু নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না; বরং ইসরাইলের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির রাজনৈতিক গতিপথ সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে।

ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া ইসরাইলের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবারও লড়াইয়ে নেমেছেন। তার নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি ও ক্ষমতাসীন জোটে কট্টর ডানপন্থি জাতীয়তাবাদী এবং অতি-গোঁড়া ইহুদিধর্মীয় দলগুলো রয়েছে। তবে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখেও রয়েছেন তিনি। গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখে রয়েছেন নেতানিয়াহু। এ ছাড়া ঘুষ, জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলা দুর্নীতির বিচারও রাজনৈতিক বিতর্কের অন্যতম বিষয়, যদিও তিনি এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলার আগে ও পরে নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়ে তার সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রশ্ন রয়েছে। নির্বাচনি প্রচারে এসব ব্যর্থতার দায়, অতি-গোঁড়া ইহুদিদের সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ এবং আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোকে সম্ভাব্য সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও জোরালোভাবে আলোচনায় এসেছে। ইসরাইলের রাজনীতিতে বর্তমানে ডানপন্থিদের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।