Dhaka ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানবে ভোরে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল বুধবার সকালে উপকূল অতিক্রমের সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে অন্তত ৮৯ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছিল। এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৩০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৯৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ছিল। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব ভোর থেকে শুরু হতে পারে এবং গতিপথের পরিবর্তন বিবেচনায় বুধবার সকালেই স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের বাপটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে অতিক্রম করতে পারে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হওয়ায় সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে বুধবার থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তর ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু প্রশাসনকে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা এবং জরুরি সেবা সচল রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানবে ভোরে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল বুধবার সকালে উপকূল অতিক্রমের সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে অন্তত ৮৯ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছিল। এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৩০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৯৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ছিল। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব ভোর থেকে শুরু হতে পারে এবং গতিপথের পরিবর্তন বিবেচনায় বুধবার সকালেই স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের বাপটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে অতিক্রম করতে পারে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হওয়ায় সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে বুধবার থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তর ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু প্রশাসনকে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা এবং জরুরি সেবা সচল রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।