Dhaka ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

আজ ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের শুভ জন্মদিন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৪:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র সুকন্যা ব্যারিস্টার জাইমা জারনাজ রহমানের শুভ জন্মদিন আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর)। ঐতিহাসিক এই দিনে ১৯৯৫ সালে রাজধানী ঢাকায় এক সম্ভ্রান্ত ও রাজনৈতিক পরিবারে শুভ জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

ব্যারিস্টার জাইমা রহমান আইনিবিদ্যায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন শেষে একজন কৃতি ব্যারিস্টার হিসেবে নিজের পেশাগত জীবন সফলভাবে শুরু করেছেন। দেশীয় আইনপেশার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সুউচ্চ অঙ্গনেও কাজের বিশেষ অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

পারিবারিক পরিচয়ের দিক দিয়ে জাইমা রহমানের দাদা হলেন বাংলাদেশের সাবেক দূরদর্শী রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং দাদি হলেন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। অন্যদিকে তাঁর মাতামহ বা নানা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ও সাবেক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।

শিক্ষাজীবনের শুরুতে জাইমা ঢাকার স্বনামধন্য ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের সাথে যুক্তরাজ্যে গমন করে সেখানে স্থায়ী হন। লন্ডনের বিশ্বখ্যাত কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে সফলভাবে আইনে স্নাতক (এলএলবি) ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এর পরপরই ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন আইন প্রতিষ্ঠান ‘ইনার টেম্পল’ থেকে সম্মানজনক বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন।

মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে পুরোদমে আইনপেশায় যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাইমা রহমান সম্প্রতি ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি (এনরোলমেন্ট) পরীক্ষায় অত্যন্ত সুনামের সাথে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় এবং ঐতিহ্যবাহী আইন প্রতিষ্ঠান ‘সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এ একজন কনিষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে যুক্ত হন। সেখানে তিনি মূলত সাংবিধানিক আইন, বিশ্বমানের করপোরেট সংস্কৃতি ও জটিল বাণিজ্যিক আইন সংক্রান্ত নানা গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিষয়ে কাজ করার সুযোগ পান।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সম্মানিত সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে একজন দক্ষ আইন কর্মকর্তা (লিগ্যাল অফিসার) হিসেবে নিযুক্ত হন জাইমা রহমান। তিনি বর্তমানে সাধারণ পরিষদ সভাপতির এক্সিকিউটিভ অফিসের অধীনে বিশ্ব রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক আইনি বিষয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত বিশ্বখ্যাত ৭৩তম ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ নামক হাইপ্রোফাইল অনুষ্ঠানে বিএনপির শীর্ষ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশ নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। তৎকালীন সেই বিশেষ প্রতিনিধিদলে জাইমা রহমানের সাথে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও নীতি-নির্ধারণী স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। উক্ত যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন সাবেক প্রভাবশালী কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কূটনৈতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাতে মিলিত হন।

স্বীকৃত আইনি কাজের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও গভীরভাবে যুক্ত রয়েছেন এই তরুণী। দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের মানসম্মত শিক্ষার প্রসারে কাজ করা অন্যতম শীর্ষ সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ‘সুরভী’-র পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম বোর্ড ট্রাস্টি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

মূলত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সুশাসন, আধুনিক জননীতি, সার্বিক শিক্ষার প্রসার, নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মতো নানা ইতিবাচক মানবিক বিষয়ে তাঁর গভীর আগ্রহ ও আগ্রহ রয়েছে।

শুভ এই জন্মদিনে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে অফুরন্ত শুভকামনা এবং শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁর দেশ-বিদেশের শুভানুধ্যায়ী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। আগামী দিনে দেশীয় আইনপেশা, দেশ গঠনে সামাজিক কর্মকাণ্ড ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর কর্মপরিধি আরও বহুগুণে বিস্তৃত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আজ ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের শুভ জন্মদিন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৪:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র সুকন্যা ব্যারিস্টার জাইমা জারনাজ রহমানের শুভ জন্মদিন আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর)। ঐতিহাসিক এই দিনে ১৯৯৫ সালে রাজধানী ঢাকায় এক সম্ভ্রান্ত ও রাজনৈতিক পরিবারে শুভ জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

ব্যারিস্টার জাইমা রহমান আইনিবিদ্যায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন শেষে একজন কৃতি ব্যারিস্টার হিসেবে নিজের পেশাগত জীবন সফলভাবে শুরু করেছেন। দেশীয় আইনপেশার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সুউচ্চ অঙ্গনেও কাজের বিশেষ অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

পারিবারিক পরিচয়ের দিক দিয়ে জাইমা রহমানের দাদা হলেন বাংলাদেশের সাবেক দূরদর্শী রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং দাদি হলেন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। অন্যদিকে তাঁর মাতামহ বা নানা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ও সাবেক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।

শিক্ষাজীবনের শুরুতে জাইমা ঢাকার স্বনামধন্য ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের সাথে যুক্তরাজ্যে গমন করে সেখানে স্থায়ী হন। লন্ডনের বিশ্বখ্যাত কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে সফলভাবে আইনে স্নাতক (এলএলবি) ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এর পরপরই ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন আইন প্রতিষ্ঠান ‘ইনার টেম্পল’ থেকে সম্মানজনক বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন।

মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে পুরোদমে আইনপেশায় যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাইমা রহমান সম্প্রতি ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি (এনরোলমেন্ট) পরীক্ষায় অত্যন্ত সুনামের সাথে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় এবং ঐতিহ্যবাহী আইন প্রতিষ্ঠান ‘সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এ একজন কনিষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে যুক্ত হন। সেখানে তিনি মূলত সাংবিধানিক আইন, বিশ্বমানের করপোরেট সংস্কৃতি ও জটিল বাণিজ্যিক আইন সংক্রান্ত নানা গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিষয়ে কাজ করার সুযোগ পান।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সম্মানিত সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে একজন দক্ষ আইন কর্মকর্তা (লিগ্যাল অফিসার) হিসেবে নিযুক্ত হন জাইমা রহমান। তিনি বর্তমানে সাধারণ পরিষদ সভাপতির এক্সিকিউটিভ অফিসের অধীনে বিশ্ব রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক আইনি বিষয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত বিশ্বখ্যাত ৭৩তম ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ নামক হাইপ্রোফাইল অনুষ্ঠানে বিএনপির শীর্ষ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশ নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। তৎকালীন সেই বিশেষ প্রতিনিধিদলে জাইমা রহমানের সাথে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও নীতি-নির্ধারণী স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। উক্ত যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন সাবেক প্রভাবশালী কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কূটনৈতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাতে মিলিত হন।

স্বীকৃত আইনি কাজের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও গভীরভাবে যুক্ত রয়েছেন এই তরুণী। দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের মানসম্মত শিক্ষার প্রসারে কাজ করা অন্যতম শীর্ষ সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ‘সুরভী’-র পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম বোর্ড ট্রাস্টি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

মূলত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সুশাসন, আধুনিক জননীতি, সার্বিক শিক্ষার প্রসার, নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মতো নানা ইতিবাচক মানবিক বিষয়ে তাঁর গভীর আগ্রহ ও আগ্রহ রয়েছে।

শুভ এই জন্মদিনে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে অফুরন্ত শুভকামনা এবং শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁর দেশ-বিদেশের শুভানুধ্যায়ী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। আগামী দিনে দেশীয় আইনপেশা, দেশ গঠনে সামাজিক কর্মকাণ্ড ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর কর্মপরিধি আরও বহুগুণে বিস্তৃত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।