জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে ২৬ অক্টোবর টোকিও যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাপানে এটি তাঁর প্রথম সফর। এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে জাপান দেশের অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী। ঢাকার মেট্রোরেল, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, যমুনা সেতু এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরের মতো মেগা প্রকল্পগুলোতে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ অর্থায়ন ও কারিগরি সহযোগিতা রয়েছে।
সফরকালে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে নমনীয় শর্তে বাজেট সহায়তা, ঋণের সুদের হার পুনর্বিন্যাস, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী ও শিক্ষার্থী নেওয়ার বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া তিনি জাপানের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও প্রযুক্তি খাত পরিদর্শন করতে পারেন।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকে বায়ুদূষণ ও যানজটমুক্ত করে সুপরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে এবং বুড়িগঙ্গার জলপ্রবাহ পুনরুজ্জীবিত করতে জাপানি প্রযুক্তি ও সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।






















