আধুনিক যুদ্ধ এখন আর কেবল চিরাচরিত সামরিক বা সশস্ত্র সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইএনএসএস) আয়োজিত ‘মিথ্যা ও অপতথ্য: জাতীয় নিরাপত্তার ওপর হুমকি’ শীর্ষক এক নীতি সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ড. তিতুমীর তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমান যুগে সাইবার হামলা, অন্যায্য অর্থনৈতিক চাপ, কূটনৈতিক কৌশল এবং সংগঠিত অপতথ্য ও মনস্তাত্ত্বিক অভিযানকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখা ও জনগণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে আইএমএফের পূর্বাভাস ও দারিদ্র্যসীমার উপাত্তের বিভ্রান্তিকর আংশিক উপস্থাপনকে তিনি পরিকল্পিত মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ বলে অভিহিত করেন। এই পরিবর্তিত হুমকি মোকাবিলায় দেশের প্রচলিত সামরিক ডকট্রিন বা যুদ্ধকৌশল হালনাগাদ করার পাশাপাশি armed forces-এর বিভিন্ন শাখা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধির তাগিদ দেন তিনি।
সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল অধ্যাপক আমিনুল করিম জানান, দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী ও সুপ্রিম কোর্টের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক অপপ্রচার ও প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা অপরিহার্য। এছাড়া অন্যান্য গবেষক ও সামরিক বিশেষজ্ঞরা মিথ্যা ও পরিকল্পিত অপতথ্য শনাক্তকরণে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইনি জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং সর্বস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন।






















